‘আজ তৃণমূল, কাল আমাদের ওপর কোপ!’ ঘাসফুল প্রতীক ইস্যুতে বিস্ফোরক নওশাদ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 18, 20261:50 pm
তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও ঐতিহ্যবাহী ‘জোড়া ফুল’ প্রতীক সাময়িকভাবে স্থগিত (ফ্রিজ) করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজনৈতিকভাবে শাসকদলের চরম বিরোধী হলেও কমিশনের এই পদক্ষেপে একেবারেই খুশি নন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। রাজনৈতিক মহলে অনেকে ট্রোল করলেও এটিকে গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বার্তা হিসেবে দেখছেন তিনি।
নওশাদের আপত্তির আসল কারণ:
- গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর: নওশাদের স্পষ্ট বক্তব্য, তীব্র রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও কোনো দলের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক স্থগিত করে দেওয়া গণতান্ত্রিক কাঠামোর পক্ষে শুভ নয়।
- ভবিষ্যতের আশঙ্কা: তিনি সতর্ক করে বলেন, “আজ তৃণমূলের ওপর কোপ পড়েছে, কাল আমার বা আপনার দলের ওপরও এই আঘাত আসতে পারে।”
- কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে সাম্প্রতিক ‘এসআইআর’ বিতর্কের সঙ্গে তুলনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের পর এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আর কোনো আলোচনা হয় না।
ঘটনার প্রেক্ষাপট:
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (কালীঘাটপন্থী বনাম ঋতব্রতপন্থী) জেরে বিবাদ গড়ায় নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত। পরিস্থিতি সামাল দিতে কমিশন আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ জারি করে দলের নাম ও প্রতীক ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। এর ফলে আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে কোনো গোষ্ঠীই মূল নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।
কমিশনের নির্দেশে ইতিমধ্যেই উভয় গোষ্ঠী পছন্দের ক্রমানুসারে ৩টি বিকল্প নাম ও প্রতীকের তালিকা জমা দিয়েছে। উল্লেখ্য, কেবল নওশাদ সিদ্দিকীই নন, কংগ্রেস নেতা কেসি ভেনুগোপালও কমিশনের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের হাতে প্রতীক ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
