বন্যা ও ভাঙনের জোড়া ধাক্কা ভূতনিতে! ত্রাণ বিতরণের সাথে বড় প্রতিশ্রুতির বার্তা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 20, 20269:44 am
মালদহের মানিকচকের ভূতনিতে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। গঙ্গার জলস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া এবং তীব্র নদীভাঙনের কারণে এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল এখন পুরোপুরি জলের তলায়। দুর্গতদের উদ্ধার ও ত্রাণ পৌঁছাতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শনিবার ভূতনিতে পৌঁছায় এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এতে ছিলেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, অজয় পোদ্দার, সুমনা সরকার, কৌশিক চৌধুরী, সাংসদ খগেন মুর্মু এবং মালদহের জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুরসহ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকেরা।
প্রতিনিধি দলটি নৌকায় চেপে প্লাবিত এলাকাগুলি পরিদর্শনের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ত্রাণশিবিরে পৌঁছান। সেখানে পানীয় জল, খাদ্যসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে কি না, তা সরজমিনে খতিয়ে দেখা হয়। দুর্গত এলাকাগুলিতে জেনারেটর, ওষুধ ও অন্যান্য জরুরি পরিষেবা দিতে নৌকাই একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে।
প্রশাসনের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, পূর্ববর্তী ২০২৪ ও ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি ২০২৬ সালে ত্রাণ বিতরণ ও পরিষেবার পরিধি অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে। তবে সাময়িক ত্রাণ পৌঁছালেও প্রতি বছর বর্ষায় ভূতনির মানুষ যে দুর্ভোগের মুখে পড়েন, তা নিয়ে উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি—শুধু ত্রাণ নয়, চাই স্থায়ী সমাধান। এ বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, বর্ষা শেষে জল নামলেই নদীভাঙন রোধ ও বন্যার স্থায়ী সমাধানে বড় আকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হবে। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে ভূতনির মানুষের ঘরবাড়ি ও জীবিকা সুরক্ষিত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
