১৯ বছরের পুরনো মামলায় গ্রেফতার! জামিনের আর্জিতে হাইকোর্টে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 23, 20262:55 pm
কলকাতা: উপনির্বাচনের ঠিক আগেই আইনি বিপাকে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। ১৯ বছরের পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেলবন্দি তিনি। এবার জামিনের আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এই কংগ্রেস নেতা। বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মিলনের আইনজীবীরা জরুরি শুনানির আবেদন জানালে আদালত মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। চলতি সপ্তাহেই এই আবেদনের শুনানি হতে পারে।
আদালতে দ্রুত শুনানির আবেদন
বুধবার সকালে মিলন প্রধানের দুই আইনজীবী মিলন মুখোপাধ্যায় এবং অয়ন ভট্টাচার্য বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁদের যুক্তি, যেহেতু মিলন উপনির্বাচনের প্রার্থী, তাই জামিনের আবেদনের শুনানি দ্রুত হওয়া প্রয়োজন। আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলা করার অনুমতি প্রদান করেন।
পুরনো মামলা ও গ্রেফতারি ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা
গত শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। পুলিশ সূত্রের খবর, ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, বেআইনি জমায়েত ও লুটপাটের অভিযোগে নন্দীগ্রাম থানায় তিনটি এবং খেজুরি থানায় একটি মামলা রুজু হয়েছিল। ভোটের মুখে এত পুরনো মামলা টেনে গ্রেফতারি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে জোর তরজা শুরু হয়েছে।
আইনি যুদ্ধ ও হেফাজতের আপডেট
এর আগে অন্য ৫টি মামলায় রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আবেদন করেছিলেন মিলন। সেখানে তাঁর আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, উপনির্বাচনের ঠিক আগেই কেন ২০০৭ সালের মামলায় গ্রেফতার করা হল? জবাবে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, নির্বাচনের সময় আদর্শ আচরণবিধি মেনেই এই পুরনো পরোয়ানা কার্যকর করা হয়েছে। আদালত তখন কোনও মধ্যবর্তী নির্দেশ দেয়নি।
ইতোমধ্যেই হলদিয়া ও কাঁথি মহকুমা আদালত মিলনকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছিল। খেজুরি থানার একটি মামলায় বুধবার ফের তাঁকে কাঁথি আদালতে হাজির করায় পুলিশ। এখন হাইকোর্ট থেকে মিলন জামিন পান কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
