প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে সিটের হানা, বাজেয়াপ্ত ১৩টি নথি!

প্রাক্তন মন্ত্রীর বাড়িতে সিটের হানা, বাজেয়াপ্ত ১৩টি নথি!

এবেলা ডেস্কঃ

 

প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেপাজতে, উঠল যৌন হেনস্তার অভিযোগও

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্নীতির মামলায় ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক। বুধবার এজলাসে সরকারি আইনজীবী জানান, তদন্তের স্বার্থে আপাতত পুলিশি হেপাজতের প্রয়োজন নেই, তবে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে।

এদিন আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, ১৩টি নথি যাচাই করে প্রাক্তন মন্ত্রীর আয়ের উৎস খোঁজার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। পুজোর পাস দুর্নীতির টাকা দিয়ে সম্পত্তি কেনা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইনজীবীর তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তের দুটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২৭ লক্ষ টাকা রয়েছে। এছাড়া, আরও ২৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মিলিয়ে মোট ১০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ ফ্রিজ করা হয়েছে।

এদিকে, আদালতে প্রাক্তন মন্ত্রীর আইনজীবী জেল হেফাজতে পাঠানোর কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেই সঙ্গে তিনি ইন্দ্রনীল সেনের জন্য জেলে ‘প্রথম শ্রেণির বন্দি’র মর্যাদার আবেদন জানান। উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে বিচারক ২১ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন এবং প্রথম শ্রেণির বন্দির আবেদনও মঞ্জুর করেন।

অন্যদিকে, এই মামলার রেশ কাটতে না কাটতেই তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কয়েকজন মহিলা কর্মীর অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রাজ্য পুলিশের ডিজি ও হিউম্যান রাইটস কমিশনের কাছে পাঠানো চিঠিতে তাঁরা অভিযোগ করেছেন, কর্মক্ষেত্রে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু সহ দপ্তরের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক তাঁদের যৌন হেনস্তা করেছেন। এই অভিযোগ ঘিরে দপ্তরের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *