AI এর দাপটেও কমবে না আয়! পকেটে লক্ষ লক্ষ টাকা ভরতে আজই শুরু করুন এই ৫টি সেরা ব্যবসা – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
February 21, 202611:32 am
বর্তমান যুগে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকের মনেই আশঙ্কা জাগছে যে AI হয়তো মানুষের কাজ কেড়ে নেবে। কিন্তু সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, প্রযুক্তির এই জোয়ারে গা ভাসিয়েও এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে মানুষের সৃজনশীলতা আর বুদ্ধিমত্তার কোনো বিকল্প নেই। আপনি যদি বাড়তি আয়ের রাস্তা খুঁজছেন, তবে এই পাঁচটি ব্যবসায়িক আইডিয়া আপনার জীবন বদলে দিতে পারে।
১. ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি
প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে, ব্যবসার প্রচারের ধরণ ততটাই ডিজিটাল হয়ে উঠছে। বড় কো ম্পা নি থেকে শুরু করে ছোট স্টার্টআপ—সবারই এখন অনলাইনে উপস্থিতি প্রয়োজন। AI টুল ব্যবহার করে আপনি হয়তো বিজ্ঞাপন তৈরি করতে পারেন, কিন্তু সেই বিজ্ঞাপন কোন সময়ে কার কাছে পৌঁছাবে, তার কৌশল নির্ধারণ করতে মানুষের মস্তিষ্কই সেরা। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট, এসইও (SEO) এবং গুগল অ্যাডস পরিচালনার মাধ্যমে আপনি স্বল্প পুঁজিতেই একটি এজেন্সি শুরু করতে পারেন।
২. ইউনিক কন্টেন্ট ক্রিয়েশন
অনেকেই মনে করেন চ্যাট জিপিটি বা অন্যান্য টুল দিয়ে কন্টেন্ট লিখিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু মনে রাখবেন, মানুষের আবেগ এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা মেশানো কন্টেন্ট বা ভিডিওর আবেদন কোনোদিন ফুরোবে না। ইউটিউব বা ইনস্টাগ্রামে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের ওপর (যেমন রান্না, ভ্রমণ বা প্রযুক্তি) রিল এবং ভিডিও তৈরি করে আপনি বিপুল ফলোয়ার তৈরি করতে পারেন। স্পনসরশিপ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে এখানে আয়ের সুযোগ সীমাহীন।
৩. ই-কমার্স ও হস্তশিল্পের ব্যবসা
মানুষ সবসময়ই অনন্য এবং মানসম্পন্ন জিনিসের খোঁজ করে। আমাজন বা শপিফাইয়ের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনি নিজস্ব ব্র্যান্ডের কাস্টম টি-শার্ট, পরিবেশবান্ধব সামগ্রী কিংবা হাতে তৈরি গয়না বা ঘর সাজানোর জিনিস বিক্রি করতে পারেন। এই ধরনের ব্যবসায় ব্যক্তিগত স্পর্শ বা ‘পার্সোনালাইজেশন’ থাকে, যা যান্ত্রিক AI দিতে অক্ষম।
৪. অনলাইন কোচিং ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট
শেখার কোনো শেষ নেই, আর সরাসরি মেন্টরের থেকে শেখার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা। আপনি যদি কোনো বিষয়ে দক্ষ হন—সেটা হতে পারে গান, রান্না, কোডিং কিংবা যোগব্যায়াম—তবে অনলাইন কোর্স বা ওয়ার্কশপ শুরু করুন। দক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষার চাহিদা বর্তমান বাজারে তুঙ্গে। বিভিন্ন এডু-টেক প্ল্যাটফর্মে নিজের কোর্স আপলোড করে আপনি প্যাসিভ ইনকাম বা ঘরে বসেই আয়ের পথ প্রশস্ত করতে পারেন।
৫. AI এবং টেকনোলজি কনসালটেন্সি
লোহা দিয়ে যেমন লোহা কাটা হয়, তেমনই AI-কে কাজে লাগিয়েই আপনি ব্যবসার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারেন। অনেক ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ী জানেন না কীভাবে AI টুল ব্যবহার করে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যায়। আপনি যদি ChatGPT বা অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ হন, তবে পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ শুরু করুন। স্টার্টআপগুলিকে সঠিক টুলের ব্যবহার শিখিয়ে আপনি মোটা অঙ্কের প্রজেক্ট ফি আয় করতে পারেন।

