অক্ষয় তৃতীয়ায় সোনা কেনা সাধ্যের বাইরে? পকেটে টান থাকলেও এই ৫টি জিনিস আনবে সৌভাগ্য!

হিন্দুধর্মে অক্ষয় তৃতীয়ার বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, এই পুণ্য তিথিতে সম্পাদিত যেকোনো বিনিয়োগ বা শুভ কাজ কখনো ‘ক্ষয়’ হয় না, বরং তা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। ২০২৬ সালের ১৯শে এপ্রিল, রবিবার এই বিশেষ দিনটি পালিত হতে চলেছে। সোনা কেনার প্রথা বহু পুরোনো হলেও, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে যারা মূল্যবান ধাতু কিনতে পারছেন না, তাদের জন্য শাস্ত্রে অন্য বিকল্পের হদিস দেওয়া হয়েছে।
সোনা ছাড়াও পুণ্যলাভের সহজ উপায়
শাস্ত্র অনুযায়ী, সোনা ছাড়াও কয়েকটি সাধারণ ও সুলভ সামগ্রী বাড়িতে আনলে সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে। এর মধ্যে রয়েছে গোটা ধনে বীজ, যা উন্নতির প্রতীক; তামার বাসন, যা শুভ শক্তি বাড়ায়; এছাড়া মাটির পাত্র, হলুদ, চাল কিংবা পুজোর জন্য ব্যবহৃত লাল সুতির কাপড় কেনাও অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত। যদি এই তালিকাভুক্ত কোনো কিছু কেনাও সম্ভব না হয়, তবে দুস্থ মানুষকে সাধ্যমতো দান করলে তা মানসিক শান্তি ও ইতিবাচক ফল প্রদান করে।
বিনিয়োগের শুভ মুহূর্ত
যাঁরা প্রথা মেনে সোনা বা রুপো কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য পঞ্জিকা অনুযায়ী বিভিন্ন শুভ মুহূর্ত নির্দিষ্ট করা হয়েছে। ১৯শে এপ্রিল সকাল ১০:৪৯ থেকে ১২:২১, দুপুর ১:৫৮ থেকে ৩:৩৫ এবং সন্ধ্যা ৬:৫০ থেকে রাত ১০:৫৮ পর্যন্ত সময়গুলোকে কেনাকাটার জন্য অত্যন্ত শুভ মানা হয়। এর প্রভাব হিসেবে বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাওয়া সম্ভব বলে মনে করা হয়। উৎসব ঘিরে সাধারণ মানুষের এই অংশগ্রহণ কেবল ধর্মীয় বিশ্বাসের জায়গা থেকেই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক সমৃদ্ধির কামনায় সঞ্চয় প্রবণতাকেও উৎসাহিত করে।
এক ঝলকে
- পালনের তারিখ: ২০২৬ সালের ১৯শে এপ্রিল, রবিবার।
- বিকল্প শুভ সামগ্রী: গোটা ধনে, তামার বাসন, মাটির জিনিস, হলুদ, চাল ও লাল কাপড়।
- মূল বার্তা: মূল্যবান ধাতু কেনা সম্ভব না হলে দান-ধ্যানের মাধ্যমেও অক্ষয় পুণ্য অর্জন করা যায়।
- কেনাকাটার সময়: ১৯ এপ্রিল সকাল ও দুপুরের পাশাপাশি সন্ধ্যা ৬:৫০ থেকে রাত ১০:৫৮ পর্যন্ত সময় কেনাকাটার জন্য বিশেষ শুভ।
