অপারেশন সিঁদুর: পাক পরমাণু ঘাঁটিতে ভারতীয় হামলাই কি যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়েছিল?
সামরিক বিশ্লেষক টম কুপারের দাবি অনুযায়ী, ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন পাকিস্তানের কিরানা হিলস পারমাণবিক অস্ত্রাগারে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সুনির্দিষ্ট আঘাতই ইসলামাবাদকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করেছিল। যদিও ভারতীয় বায়ুসেনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার কথা অস্বীকার করেছে, তবে কুপারের মতে এই ঘাঁটিটি পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক সংরক্ষণ কেন্দ্র। মার্কিন বিজ্ঞানীদের তথ্যের সূত্র টেনে তিনি জানান, সেখানে ভারতের বিধ্বংসী হামলার পর পাকিস্তান কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়েছিল এবং কূটনৈতিক স্তরে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানাতে শুরু করে।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ শিব আরুরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কুপার জানান, ভারত অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে প্রথমে পাকিস্তানের রাডার ব্যবস্থা অচল করে এবং পরবর্তীতে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক স্থাপনার প্রবেশপথে আঘাত হানে। তাঁর দাবি, পাকিস্তানি নাগরিকদের তোলা ভিডিও এবং স্থানীয় রাডার স্টেশনের ধ্বংসাবশেষ এই হামলার অকাট্য প্রমাণ। কিরানা হিলস সংলগ্ন সারগোধা ঘাঁটিতে পাক বিমানবাহিনীর পারমাণবিক যুদ্ধের মহড়া চলত বলে এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। ভারতের এই অতর্কিত আক্রমণে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিল।
এই অভিযানে ভারত ব্রহ্মোস ও স্কাল্পের মতো উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। কুপারের মতে, ভারতের সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাকিস্তানের পাল্টা অভিযান ‘বুনিয়ান-উন-মারসুস’ সফলভাবে প্রতিহত করে। পাকিস্তানের একাধিক যুদ্ধবিমান ধ্বংস হওয়ার পর ভারত যখন ১২-১৩টি শত্রু ঘাঁটিতে আঘাত হানে, তখনই পাকিস্তান পরাজয় স্বীকার করে নেয়। বিশেষজ্ঞের মতে, ভারতের এই সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রযুক্তিগত নিখুঁত লক্ষ্যভেদই শেষ পর্যন্ত প্রতিপক্ষকে আলোচনার টেবিলে বসতে বাধ্য করেছিল।

