আদালতের নির্দেশে অ্যাকাউন্টে ঢুকছে বকেয়া ডিএ কিন্তু হিসেবে গরমিল দেখে মাথায় হাত রাজ্য সরকারি কর্মীদের – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
বকেয়া ডিএ মেটাতে কোমর বেঁধে নেমেছে নবান্ন। Supreme \titleonly কোর্টের কড়া নির্দেশ মেনে ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য সরকারি মহলে। অনেক কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা জমা পড়তে শুরু করলেও খুশির বদলে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। সরকারি কর্মচারীদের একাংশের অভিযোগ, হিসেবে ব্যাপক গরমিল রয়েছে এবং প্রাপ্য টাকার তুলনায় অনেক কম অর্থ দেওয়া হচ্ছে।
অর্থ দফতরের বিশেষ পোর্টালে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র হিসেব আপলোড করার কাজ চলছে। কিন্তু কর্মচারী সংগঠনগুলির দাবি, এইচআরএমএস (HRMS) সিস্টেমে যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে ডিএ-র পরিমাণে অসংগতি ধরা পড়ছে। আদালত কর্মচারী সমিতির অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি হাতে দেওয়ার বদলে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করার কথা বলা হচ্ছে, যা Supreme \titleonly কোর্টের নির্দেশিকার পরিপন্থী। বিশেষ করে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ডিএ নিয়ে এখনও কোনো স্পষ্ট দিশা মেলেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই বিশাল কর্মযজ্ঞ দ্রুত শেষ করতে নবান্নের অ্যাকাউন্টস বিভাগের কর্মীদের ছুটি পর্যন্ত বাতিল করা হয়েছে। চলতি ও আগামী সপ্তাহের শনি ও রবিবারও খোলা থাকছে দফতর। একদিকে ছুটির দিনেও কাজ, আর অন্যদিকে পাওনা টাকা নিয়ে ধোঁয়াশা— সব মিলিয়ে বকেয়া ডিএ ঘিরে এখন রাজ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা।

