লেটেস্ট নিউজ

আসল নাকি কেমিক্যাল? খাঁটি কর্পূর চেনার ৫ সহজ উপায় – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পূজোর উপচার থেকে ত্বকের যত্ন—সবক্ষেত্রেই কর্পূর অত্যন্ত উপকারী। এটি ঘর থেকে জীবাণু দূর করে এবং মনে প্রশান্তি আনে। তবে বর্তমানে বাজারে ভেজাল বা সিন্থেটিক কর্পূরের ছড়াছড়ি, যা উপকারের বদলে ক্ষতি করতে পারে। সাধারণ কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি সহজেই আসল ও নকল কর্পূরের পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

১. দহন পরীক্ষা

আসল কর্পূর জ্বালালে তা সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয়ে যায়। পোড়ানোর পর পাত্রে কোনো ছাই বা অবশিষ্টাংশ থাকে না। অন্যদিকে, কেমিক্যালযুক্ত কর্পূর পোড়ালে প্রচুর কালো ধোঁয়া হয় এবং পাত্রে কালচে ছাই বা গুঁড়ো পড়ে থাকে।

২. টেক্সচার ও রঙ

প্রাকৃতিক কর্পূর বা ‘ভীমসেনী কর্পূর’ কিছুটা স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো হয় এবং খুব সহজেই হাত দিয়ে ভেঙে ফেলা যায়। কিন্তু সিন্থেটিক কর্পূর সাধারণত ধবধবে সাদা বা কিছুটা হলদেটে হয় এবং এটি ভাঙা বেশ কঠিন।

৩. গন্ধের পার্থক্য

আসল কর্পূরের সুগন্ধ অত্যন্ত স্নিগ্ধ এবং ভেষজ গুণসম্পন্ন, যা নাকে আরাম দেয়। কিন্তু নকল কর্পূর থেকে উগ্র কেমিক্যাল বা তেলের গন্ধ পাওয়া যায়, যা অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

৪. জল পরীক্ষা

আসল কর্পূর ওজনে ভারী হওয়ায় গ্লাসের জলে দিলে তা দ্রুত নিচে ডুবে যায়। কিন্তু ভেজাল বা সিন্থেটিক কর্পূর হালকা হওয়ার কারণে জলের ওপর ভেসে থাকে এবং গলতে অনেক বেশি সময় নেয়।

৫. খোলা বাতাসে রাখা

খাঁটি কর্পূর উদ্বায়ী প্রকৃতির। একটি টুকরো খোলা পাত্রে রেখে দিলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা নিজে থেকেই উবে যেতে শুরু করবে এবং এক সময় অদৃশ্য হয়ে যাবে। কিন্তু নকল বা কেমিক্যালযুক্ত কর্পূরের আকার তেমন একটা কমে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *