লেটেস্ট নিউজ

ইজরায়েলি গোলার আঘাতে জ্বলছে খামেইনির দফতর, কোথায় লুকালেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নিউজ ডেস্ক: একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে খোদ ইরানের হৃদপিণ্ডে ইজরায়েলের বিধ্বংসী বিমান হামলা। তেহরানে অবস্থিত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির দফতরে আছড়ে পড়েছে ইজরায়েলি বোমা। দাউদাউ করে জ্বলছে সদর দফতর, আকাশে শুধুই কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। এই পরিস্থিতিতে ৮৬ বছর বয়সী খামেইনির অবস্থান নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে রহস্য। তিনি কি আদৌ বেঁচে আছেন? নাকি হামলার আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তাঁকে?

জ্বলছে খামেইনির দফতর, ঘনীভূত রহস্য

রয়টার্স ও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, তেহরানের বাসিন্দারা খামেইনির দফতরের ওপর সরাসরি হামলা হতে দেখেছেন। ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইজরায়েল কাটজ এই আক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত পদক্ষেপ। তবে হামলার সময় খামেইনি সেখানে ছিলেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। ইরানের এক আধিকারিক দাবি করেছেন, সর্বোচ্চ নেতা বর্তমানে একটি অত্যন্ত গোপন ও সুরক্ষিত ডেরায় নিরাপদ রয়েছেন।

ট্রাম্পের কড়া বার্তা ও যুদ্ধের মেঘ

হামলার ঠিক আগেই টেক্সাসের এক জনসভায় ইরানকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ দেশ হিসেবে তকমা দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, “গত ৪৭ বছর ধরে যারা ধ্বংসলীলা চালাচ্ছে, তাদের নিয়ে আমাদের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে।” একদিকে জেনেভায় পরমাণু আলোচনা চলছে, অন্যদিকে তেহরানে চলছে ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি। কূটনৈতিক মহলের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সমীকরণ এখন খাদের কিনারায়। খামেইনির গোপন ডেরা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত গোটা বিশ্ব এখন চরম উদ্বেগের সঙ্গে তেহরানের দিকে তাকিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *