ইজরায়েলি হামলায় খামেনেইর মৃত্যুতে কাঁপছে দুনিয়া! ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে জানলে চমকে যাবেন – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে এবার দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন। ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ মিসাইল হামলায় ধূলিসাৎ ইরানের দম্ভ। খোদ Supreme \titleonly লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইর মৃত্যুর খবরে কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল বিশ্ব। কিন্তু সেই শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই রণংদেহি মেজাজে ধরা দিল ইরান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খামেনেইর উত্তরসূরি হিসেবে অস্থায়ী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার নাম ঘোষণা করল তেহরান, যার লক্ষ্য একটাই— বিধ্বংসী প্রতিশোধ।
শনিবার সকালে যখন তেহরানের আকাশ মিসাইলের গর্জনে কেঁপে ওঠে, তখন খোদ নিজের দপ্তরেই কর্মরত ছিলেন খামেনেই। ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, সেই ভয়াবহ আঘাতেই ‘শহিদ’ হয়েছেন Supreme \titleonly লিডার। এই চরম দুঃসংবাদ পাওয়ার পর বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে তিন সদস্যের একটি শক্তিশালী উচ্চপর্যায় কমিটি গঠন করেছে ইরান সরকার। সেই কমিটির মকুটে বসানো হয়েছে খামেনেইর অত্যন্ত বিশ্বস্ত এবং ছায়াসঙ্গী ৬৭ বছর বয়সী আলিরেজ়া আরাফিকে।
কে এই আলিরেজ়া আরাফি? যিনি এখন খামেনেইর আসনে বসে ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নীল নকশা তৈরি করবেন। দীর্ঘ দিন ধরে ইরানের শিক্ষাব্যবস্থার প্রধান এবং ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস’-এর ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব সামলানো আরাফি খামেনেইর অতি ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিত। এবার তাঁর কাঁধেই ন্যস্ত হয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক শাসনের ভার।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে এই রক্তক্ষয়ী হামলার বদলা নিতে তেহরান একচুলও পিছু হটবে না। প্রেসিডেন্টের কথায়, “ইজরায়েল ও আমেরিকার এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়া এখন আমাদের বৈধ অধিকার এবং জাতীয় কর্তব্য।” খামেনেইর মৃত্যুর পর শোকের বদলে এখন তেহরানের অন্দরে বারুদের গন্ধ। নয়া নেতৃত্বের অধীনে ইরান কি এবার ইজরায়েলের ওপর পাল্টা পরমাণু হামলা বা বড়সড় কোনও ধ্বংসলীলার পথে হাঁটবে, সেই আশঙ্কায় এখন থরথর করে কাঁপছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য।

