ইনকাম ট্যাক্স জমা দিয়েছেন? ৩০ দিনের মধ্যে এই কাজটি না করলে মিলবে না রিফান্ড! – এবেলা

ইনকাম ট্যাক্স জমা দিয়েছেন? ৩০ দিনের মধ্যে এই কাজটি না করলে মিলবে না রিফান্ড! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন (ITR) জমা দেওয়ার পর অনেকেই মনে করেন তাঁদের কাজ শেষ। কিন্তু আয়কর দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, রিটার্ন জমা দেওয়ার পর তার ই-ভেরিফিকেশন (e-Verification) করা বাধ্যতামূলক। ITR ফাইল করার ৩০ দিনের মধ্যে এই ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ না করলে সেই রিটার্নটিকে অবৈধ (Invalid Return) বলে গণ্য করা হতে পারে। অর্থাৎ, আইনগতভাবে ধরে নেওয়া হবে যে আপনি রিটার্ন জমাই দেননি।

মূল হাইলাইটস ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • কেন ই-ভেরিফিকেশন জরুরি: রিটার্ন সফলভাবে ভেরিফাই হওয়ার পরেই আয়কর দপ্তর সেটি প্রসেস করা শুরু করে। এটি না করলে আপনার ট্যাক্স রিফান্ড আটকে যেতে পারে এবং ভবিষ্যতে আয়কর দপ্তরের আইনি জটিলতা বা নোটিসের মুখে পড়তে হতে পারে।
  • প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি: ই-ভেরিফিকেশন করার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনার প্যান (PAN) এবং আধার (Aadhaar) সংযুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি, একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আগে থেকেই প্রি-ভ্যালিডেট (Pre-validate) করা থাকতে হবে এবং আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরটি সচল থাকতে হবে।
  • ভেরিফিকেশন করার সহজ পদ্ধতি: আয়কর দপ্তর একাধিক উপায়ে এই কাজ করার সুযোগ দেয়। এর মধ্যে সবথেকে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হলো আধার ওটিপি (Aadhaar OTP)। এছাড়া নেট ব্যাঙ্কিং (Net Banking), প্রি-ভ্যালিডেটেড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাপ্ত EVC, অথবা ডিজিটাল সিগনেচার সার্টিফিকেটের (DSC) মাধ্যমেও খুব সহজে ই-ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা যায়। নেট ব্যাঙ্কিং ব্যবহারকারীরা কোনো আলাদা ওটিপি ছাড়াই সরাসরি পোর্টাল থেকে এই প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেন।
  • সতর্কতা: নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে ভেরিফিকেশন না করলে নতুন করে রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে, যা সময়সাপেক্ষ এবং জটিল। তাই আইটিআর জমা দেওয়ার পরপরই ই-ভেরিফিকেশন করে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
Admin
  • Admin

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *