লেটেস্ট নিউজ

উন্নয়ন ও পরিবেশকে একসঙ্গে চলতে হবে: আমদাবাদে বৃক্ষছেদন মামলায় হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্ট – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

আমদাবাদ: আমদাবাদের হংসোল গ্রামের কাছে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বড় আকারের বৃক্ষছেদন রুখতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজের জন্য বিপুল সংখ্যক গাছ কাটা হচ্ছিল, যা বন্ধের দাবিতে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে গাছ কাটার অনুমতি বজায় রেখেছে।

আদালত তার রায়ে স্পষ্ট জানিয়েছে, উন্নয়ন এবং পরিবেশ রক্ষা— এই দুটি বিষয়কে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে সমান্তরালে চলতে হবে। বিচারপতিদের মতে, যে গাছগুলি কাটা হয়েছে সেগুলি মূলত বন্য প্রকৃতির এবং এগুলি পুনরায় বেড়ে ওঠার জন্য খুব বেশি প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে না।

সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

মামলায় হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে প্রধান বিচারপতি (CJI) বলেন, “উন্নয়ন ও পরিবেশকে হাতে হাত রেখে চলতে হবে।” আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কাটা পড়া গাছগুলি বন্য হওয়ার কারণে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় পুনরায় বৃক্ষরোপণ বা স্বাভাবিক বৃদ্ধি খুব একটা কঠিন হবে না। উল্লেখ্য, হংসোল গ্রামের এক বাসিন্দা এই বৃক্ষছেদন বন্ধের দাবিতে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

আবেদনকারীর অভিযোগ

আদালতে দায়ের করা আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, প্রকল্পের জন্য প্রায় ৪ হাজার পূর্ণবয়স্ক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। আবেদনকারী জানান:

  • প্রকল্পের জন্য ৫০-৬০ বছরের পুরনো একটি সাজানো বন উজাড় করে দেওয়া হয়েছে।
  • বন দপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গাছ কাটার বিকল্প কোনো পথ খোঁজার চেষ্টা করেনি।
  • একটি পুরনো গাছের অভাব পূরণ করা সম্ভব নয়, কারণ একটি গাছ বড় হতে কয়েক দশক সময় লাগে।
  • কৃষকদের জন্য জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নিয়ম লঙ্ঘন করে কীভাবে এত গাছ কাটা যায়, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছিল।

তবে আবেদনকারীর এই সমস্ত যুক্তি সত্ত্বেও, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের গুরুত্ব বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্ট বৃক্ষছেদনে সবুজ সংকেত দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *