কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কি বড় বদল? খাড়গের একটি মন্তব্যেই তুঙ্গে জল্পনা!

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কি বড় বদল? খাড়গের একটি মন্তব্যেই তুঙ্গে জল্পনা!

কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বদল নিয়ে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক জল্পনায় আপাতত জল ঢেলে দিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। বৃহস্পতিবার তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই রাজ্যে নেতৃত্বের পদে কোনও বড় পরিবর্তন আসছে না। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া স্বপদে বহাল থাকলেও দলের অন্দরে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে যে গুঞ্জন চলছে, তা অস্বীকার করেননি খাড়গে। তবে যে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

নেতৃত্ব পরিবর্তনের পথে অন্তরায় ও অভ্যন্তরীণ চাপ

২০২৩ সালে সরকার গঠনের সময় সিদ্দারামাইয়া ও ডিকে শিবকুমারের মধ্যে আড়াই বছরের ‘ক্ষমতা বণ্টন’ চুক্তি হয়েছিল বলে যে জল্পনা রয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে মেয়াদের অর্ধেক পূর্ণ হতেই তা ফের মাথাচাড়া দিয়েছে। শিবকুমারের অনুগামীরা তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর আসনে দেখার জন্য ক্রমাগত চাপ দিলেও হাইকমান্ড আপাতত স্থিতাবস্থা বজায় রাখাকেই শ্রেয় মনে করছে। খাড়গের মতে, পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এবং তাতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।

খাড়গেকে নিয়ে জল্পনা ও দলীয় সংহতি

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জি পরমেশ্বরা খোদ মল্লিকার্জুন খাড়গেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও, কংগ্রেস সভাপতি বিনম্রভাবে তা নাকচ করেছেন। তিনি বিষয়টিকে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে দলের প্রতি তাঁর আনুগত্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দল জেডি(এস)-এর তোলা বিধায়ক বিদ্রোহের দাবি উড়িয়ে দিয়ে খাড়গে আশ্বস্ত করেছেন যে, দলের অভ্যন্তরীণ যে কোনও বিভ্রান্তি বা ক্ষোভ শীঘ্রই প্রশমিত করা হবে। এই মুহূর্তে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত না নিয়ে কর্নাটক কংগ্রেসের ঐক্য ধরে রাখাই হাইকম্যান্ডের মূল লক্ষ্য।

এক ঝলকে

  • কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদে এখনই বড় কোনও রদবদল করছে না কংগ্রেস কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
  • সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে জল্পনার মাঝে সময় চাইলেন খাড়গে।
  • নিজের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে সোনিয়া ও রাহুল গান্ধীর সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রেখেছেন দলীয় সভাপতি।
  • সরকারের মেয়াদের অর্ধেক সময় অতিক্রান্ত হওয়ার মুখেই এই রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *