কামুক ছেলের কান্ড! ৩৭ বছর বয়সী ছেলে তার মাকে সারারাত বেঁধে রেখে করল নক্কারজনক কাজ, স্তম্ভিত পুরো দেশ – এবেলা

কামুক ছেলের কান্ড! ৩৭ বছর বয়সী ছেলে তার মাকে সারারাত বেঁধে রেখে করল নক্কারজনক কাজ, স্তম্ভিত পুরো দেশ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

জাতীয় রাজধানী দিল্লির বুরারি এলাকায় মানবিকতার এক কলঙ্কিত অধ্যায় রচিত হয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় নিজের ৬৭ বছর বয়সী বৃদ্ধা মাকে সারারাত হাত-পা বেঁধে পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগে ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার ভয়াবহতা এবং সম্পর্কের চরম অবক্ষয় দেখে স্তম্ভিত খোদ তদন্তকারী কর্মকর্তারাও।

সহিংসতার শুরু নাতনিকে দিয়ে

তদন্তে জানা গেছে, গত ১৭ই এপ্রিল পারিবারিক কলহের জেরে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রথমে তার ১৬ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে প্রচণ্ড মারধর করে। বাবার এই হিংস্র আচরণে আতঙ্কিত হয়ে কিশোরীটি বাড়ি থেকে পালিয়ে স্থানীয় এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নেয়। বাড়িতে অন্য কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে মদ্যপ অবস্থায় ফিরে অভিযুক্ত ব্যক্তি এই জঘন্য অপরাধের পরিকল্পনা করে।

রাতভর নৃশংসতা ও বৃদ্ধার সাহসিকতা

বৃদ্ধা মা তার ছেলেকে খাবার দিতে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তি অতর্কিতে তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং হাত-পা বেঁধে ফেলে। সারারাত ধরে চলে অমানবিক যৌন নিপীড়ন। ভোর ৪টার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘুমিয়ে পড়লে বৃদ্ধা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে নিজের বাঁধন খুলে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। দ্রুত নাতনিকে ফোন করে সব জানালে পুলিশ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে। ফরেনসিক দল ও ক্রাইম ব্রাঞ্চ ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছে।

সামাজিক অবক্ষয় ও নিরাপত্তার সংকট

দিল্লিতে প্রবীণ নাগরিকদের ওপর এ ধরনের পৈশাচিক হামলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও হাউস কাজী এলাকায় একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছিল। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, মাদকাসক্তি এবং পারিবারিক মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় মানুষকে এই পর্যায়ের নৃশংসতায় বাধ্য করছে। খোদ নিজের বাড়িতেই যদি মায়েরা নিরাপদ না থাকেন, তবে সমাজের নৈতিক ভিত্তি নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।

এক ঝলকে

  • দিল্লির বুরারিতে মদ্যপ ছেলের হাতে ৬৭ বছর বয়সী বৃদ্ধা মা পাশবিক নির্যাতনের শিকার।
  • নিজের মেয়েকে মারধরের পর তাকে তাড়িয়ে দিয়ে মায়ের ওপর এই পৈশাচিক হামলা চালায় অভিযুক্ত।
  • ভোররাতে বাঁধন খুলে পালিয়ে নাতনির সহযোগিতায় পুলিশকে খবর দেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধা।
  • অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং নির্যাতিতার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *