কে এই রাঘব চাড্ডা? গুগলে সার্চ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পরিণীতি!

কে এই রাঘব চাড্ডা? গুগলে সার্চ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পরিণীতি!

বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া ও আম আদমি পার্টির নেতা রাঘব চাড্ডার বিয়ে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা গুঞ্জন থাকলেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের মনের কথা স্পষ্ট করেছেন অভিনেত্রী। আপ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজের দাবি ছিল, রাঘব রাজ্যসভার সাংসদ বলেই পরিণীতি তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তবে এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে পরিণীতি জানান, তাদের সম্পর্কের শুরুটা ছিল অত্যন্ত সাধারণ এবং সেখানে রাজনীতির কোনো স্থান ছিল না।

লন্ডনের সেই প্রথম দেখা

লন্ডনের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তাদের প্রথম আলাপ হয়। পরিণীতি বিনোদন বিভাগে এবং রাঘব রাজনীতি বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। মজার বিষয় হলো, সেই সময় রাঘব চাড্ডা কে বা তার রাজনৈতিক পরিচয় কী, সে সম্পর্কে পরিণীতির বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না। মূলত নিজের ভাইয়ের অনুরোধে তার বড় ভক্ত হিসেবে রাঘবের সঙ্গে সৌজন্যমূলকভাবে পরিচিত হতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সেই সংক্ষিপ্ত আলাপ থেকেই তাদের বন্ধুত্বের সূত্রপাত।

রাজনীতিবিদের পরিচয়ের আগে মানুষ রাঘব

পরিণীতি জানান, দ্বিতীয়বার যখন তারা প্রাতরাশের টেবিলে মিলিত হন, তখন রাঘবের নিরহংকার ও সহজ-সরল জীবনযাপন তাকে মুগ্ধ করেছিল। কোনো আড়ম্বর ছাড়াই সাধারণ মানুষের মতো রাঘবের আচরণ দেখে পরিণীতি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, এই মানুষটিকেই তিনি বিয়ে করতে চান। পরবর্তীতে নিজের ঘরে ফিরে তিনি গুগল সার্চ করে রাঘবের বয়স, বৈবাহিক অবস্থা এবং রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে পারেন। এমনকি রাজ্যসভা কী, সেটিও তখন তার কাছে স্পষ্ট ছিল না।

এই ঘটনার বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৃতিত্ব নেওয়ার প্রবণতা থাকলেও, অনেক ক্ষেত্রেই ব্যক্তিগত রসায়ন ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বড় ভূমিকা পালন করে। রাঘব ও পরিণীতির ক্ষেত্রেও পেশাগত পরিচয়ের চেয়ে মানসিক সংযোগই বিয়ের মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে। বর্তমানে তাদের সুখী দাম্পত্য জীবন সমালোচকদের সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটাচ্ছে।

এক ঝলকে

  • লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে প্রথম আলাপ হলেও রাঘবের রাজনৈতিক পরিচয় জানতেন না পরিণীতি।
  • রাঘব চাড্ডার সাধারণ জীবনযাপন ও সততায় মুগ্ধ হয়েই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন অভিনেত্রী।
  • পরিণীতি মজা করে স্বীকার করেছেন যে, রাঘব কে তা জানতে তাকে ইন্টারনেটে সার্চ করতে হয়েছিল।
  • রাজনৈতিক পরিচয় বা পদের কারণে নয়, বরং ব্যক্তিগত আকর্ষণের ভিত্তিতেই এই তারকা দম্পতি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *