লেটেস্ট নিউজ

কেন কলকাতার এই মন্দিরে লুচি-খিচুড়ি নয়, প্রসাদে মেলে চাউমিন? রহস্য জানলে অবাক হবেন!

কলকাতার ট্যাংরা এলাকায় অবস্থিত ‘চিনা কালী মন্দির’ বহুত্ববাদী সংস্কৃতির এক জীবন্ত দলিল। কয়েক দশক আগে স্থানীয় চিনা সম্প্রদায়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরে হিন্দু ধর্মীয় আচারের সঙ্গে চিনা ঐতিহ্যের এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছে। চর্মশিল্পের সঙ্গে যুক্ত অভিবাসী চিনা পরিবারগুলো তাঁদের গভীর ভক্তি থেকেই এই মন্দিরটি গড়ে তোলেন, যা আজ শহরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

এই মন্দিরের প্রধান বিশেষত্ব হলো এর প্রসাদ। প্রচলিত ফল-মিষ্টির পরিবর্তে এখানে দেবীর উদ্দেশে নুডলস, মোমো এবং বিভিন্ন চিনা পদ নিবেদন করা হয়। নিজস্ব রন্ধনশৈলীকে আরাধনার অংশ করে তোলার এই রীতি নিছক অভিনবত্ব নয়, বরং স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে চিনা সম্প্রদায়ের আত্মিক মেলবন্ধন ও কৃতজ্ঞতার এক আন্তরিক বহিঃপ্রকাশ।

সম্পূর্ণ হিন্দু শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে এখানে প্রতিদিন দেবী কালী ও শিবের পুজো করা হয়। ধর্মীয় সীমানা ছাড়িয়ে এই মন্দিরটি বর্তমানে পর্যটক ও ভক্তদের কাছে সাংস্কৃতিক সহাবস্থানের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ট্যাংরার এই চিনা কালী বাড়ি প্রমাণ করে যে, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহ্য কীভাবে একীভূত হয়ে সমাজকে সমৃদ্ধ করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *