কোটি কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে চাপের মুখে অদিতি মুন্সি! হলফনামা ঘিরেই তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা – এবেলা

কোটি কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে চাপের মুখে অদিতি মুন্সি! হলফনামা ঘিরেই তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজতেই রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। তবে এবারের বিতর্কের কেন্দ্রে কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়, বরং চর্চায় উঠে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা প্রখ্যাত কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সির বিপুল সম্পত্তির খতিয়ান। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘিরেই এখন তোলপাড় বিধানসভা এলাকা।

সম্পত্তি বৃদ্ধি ঘিরে বিরোধীদের তোপ

অদিতি মুন্সির জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই ময়দানে নেমেছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, একজন বিধায়কের বেতন এবং সঙ্গীত জীবন থেকে প্রাপ্ত আয়ে মাত্র কয়েক বছরে এত বিপুল সম্পদ অর্জন আসাম্ভব। বিজেপির পক্ষ থেকে সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিরোধীদের প্রশ্ন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান যখন থমকে আছে, তখন শাসকদলের জনপ্রতিনিধির সম্পদ কীভাবে রকেটের গতিতে বাড়ছে।

অদিতির পাল্টাচাল ও রাজনৈতিক প্রভাব

পাল্টা জবাবে তৃণমূল প্রার্থী অদিতি মুন্সি অবশ্য এই সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও কুৎসা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, শিল্পী হিসেবে দীর্ঘদিনের পরিশ্রম এবং বিধায়ক পদের প্রাপ্ত ভাতার ভিত্তিতেই এই সম্পদ অর্জিত হয়েছে এবং তিনি কোনো তথ্য গোপন করেননি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্পত্তির লড়াই ভোটারদের মনে প্রভাব ফেলতে পারে। একদিকে অদিতির জনপ্রিয় ভাবমূর্তি, অন্যদিকে আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণ—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে রাজারহাট-গোপালপুরের নির্বাচনী লড়াই এখন ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

এক ঝলকে

  • নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী গত ৫ বছরে অদিতি মুন্সির সম্পত্তি বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ।
  • এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকে ‘দুর্নীতির ফসল’ বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি প্রার্থী তরুণজ্যোতি তেওয়ারি।
  • অভিযোগ অস্বীকার করে সমস্ত সম্পদকে বৈধ ও পরিশ্রমের ফল বলে দাবি করেছেন অদিতি মুন্সি।
  • ভোটের মুখে প্রার্থীর আর্থিক খতিয়ান কেন্দ্র করে রাজারহাট-গোপালপুরে তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *