ক্যানিংয়ে BJP কর্মীকে গুলি, গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়কের দাদা! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ক্যানিংয়ে এক বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুনের চেষ্টার ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এবার গ্রেফতার করা হয়েছে ক্যানিং ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের দাদা উত্তম দাসকে। শুক্রবার রাতে পুলিশি অভিযানের পর তাঁকে আটক করা হয়। অন্যদিকে, ফলতায় পুনর্নির্বাচনের ঠিক আগে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের ঘনিষ্ঠ সইদুল খানকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই রাতে দুই প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার ঘনিষ্ঠ ও আত্মীয় গ্রেফতার হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পুলিশি অভিযানে বাধা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা
শুক্রবার রাতে মিঠাখালি গ্রামে উত্তম দাসের বাড়িতে পুলিশি অভিযান চালায় পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ যখন উত্তমকে গাড়িতে তুলতে যায়, তখন স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস স্বয়ং পুলিশের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন। বিধায়কের বাধা সত্ত্বেও পুলিশ শেষ পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। একই রাতে ফলতা থেকেও তৃণমূলের অপর এক প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠ সইদুল খানকে গ্রেফতার করা হয়, যা পুনর্নির্বাচনের ঠিক আগে স্থানীয় শাসক শিবিরের ওপর বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও নির্বাচনোত্তর প্রভাব
বিজেপি কর্মীর ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যানিং ও ফলতা এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরেই রাজনৈতিক পারদ চড়ছিল। এই জোড়া গ্রেফতারির পর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে রাজনৈতিক হিংসা ও উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে পুনর্নির্বাচনের ঠিক আগে এই পুলিশি তৎপরতা বিরোধী দলগুলোর মনোবল বাড়ালেও, শাসক দলের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার জেরে ওই সমস্ত এলাকায় বাড়তি পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
