“খুলে গেল নারী বন্দনার মুখোশ!” গেণীবেন ঠাকুরকে অপমানের ইস্যুতে বিজেপিকে তুলোধনা রাহুল গান্ধীর

গুজরাট বিজেপির রাজ্য সভাপতি জগদীশ বিশ্বকর্মা কর্তৃক কংগ্রেস সাংসদ গেনিাবেন ঠাকোরের প্রতি কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের জেরে জাতীয় রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে বিজেপির প্রকৃত ‘নারী-বিদ্বেষী’ মানসিকতার প্রতিফলন বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, বিজেপির বহুল প্রচারিত ‘নারী বন্দন’ কর্মসূচির আড়ালে লুকিয়ে থাকা আসল রূপটি এখন সাধারণ মানুষের সামনে উন্মোচিত হয়ে পড়েছে।
নারী ক্ষমতায়ন বনাম কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য
বনাসকাঁঠার সাংসদ গেনিাবেন ঠাকোর বর্তমানে গুজরাট থেকে নির্বাচিত একমাত্র কংগ্রেস সাংসদ। সাম্প্রতিক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিজেপির জয় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েই তাঁর বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করেন জগদীশ বিশ্বকর্মা। রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতায় থাকা নারীদের চ্যালেঞ্জ জানানো বিজেপি সহ্য করতে পারে না বলেই তাদের বিকৃত মানসিকতা বারবার প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনার ফলে ‘নারী শক্তি’ ও ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ নিয়ে শাসক দলের নৈতিক অবস্থানের ওপর বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে।
ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাব
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্কিত মন্তব্য কেবল গুজরাটেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং জাতীয় স্তরেও বিজেপির নারী ভোটব্যাঙ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অতীতে দেওয়া বক্তব্যের সূত্র ধরে রাহুল মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, নারীরা নিজের অপমান কখনও ভুলে যান না। ফলে আগামীতে গুজরাটসহ সারা দেশের নারী সমাজ এই অবমাননার জবাব ব্যালট বাক্সে দিতে পারে বলে কংগ্রেস নেতৃত্ব হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
এক ঝলকে
- বিজেপি নেতার আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে রাহুল গান্ধীর তীব্র আক্রমণ।
- নারী বন্দন কর্মসূচির আড়ালে বিজেপির আদর্শকে ‘নারী-বিদ্বেষী’ বলে দাবি।
- একমাত্র নারী সাংসদ গেনিাবেন ঠাকোরকে লক্ষ্য করে কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহারের অভিযোগ।
- এই ঘটনায় দেশজুড়ে নারী প্রতিবাদের মাধ্যমে যোগ্য জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি।
