গণনার আগে এবার ‘টেম্পল রান’! মন্দিরে প্রার্থনায় বিজেপি প্রার্থীরা, স্ট্রংরুম পাহারা দেবে বিজেপির মহিলা ব্রিগেড

গণনার আগে এবার ‘টেম্পল রান’! মন্দিরে প্রার্থনায় বিজেপি প্রার্থীরা, স্ট্রংরুম পাহারা দেবে বিজেপির মহিলা ব্রিগেড

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসতেই রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে পৌঁছেছে। আগামী সোমবার ৪ জুন ভাগ্য নির্ধারণের আগে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এক অভিনব কৌশল গ্রহণ করেছে। একদিকে আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ ও অন্যদিকে কড়া পাহারার মিশেলে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে গেরুয়া শিবির। দলের প্রতিটি প্রার্থীকে নিজ নিজ এলাকার মন্দিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল চর্চা।

স্ট্রংরুমের সুরক্ষায় মহিলা কর্মীদের কড়া পাহারা

ইভিএম কারচুপির আশঙ্কায় স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার দলের মহিলা ব্রিগেডকে ময়দানে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার থেকে প্রতিটি স্ট্রংরুমের বাইরে অবস্থানে বসবেন মহিলা কর্মীরা। সোমবার সকালে গণনাকেন্দ্রে দলীয় এজেন্ট ও প্রার্থীরা না পৌঁছানো পর্যন্ত এই বিশেষ পাহারা জারি থাকবে। মূলত শাসকদল তৃণমূলের পক্ষ থেকে স্ট্রংরুম নিয়ে আগেভাগে প্রশ্ন তোলার পর, পাল্টা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও রাজনৈতিক প্রভাব

এর আগে কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রংরুমগুলোর বাইরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের অবস্থানের পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। শাসক ও বিরোধী—উভয় পক্ষই ভোট গণনায় কারচুপির আশঙ্কায় বিদ্ধ। বিজেপির মতে, গণনার দিন অশান্তি এড়াতে এবং ইভিএমের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের এই পদক্ষেপ অপরিহার্য। অন্যদিকে, প্রার্থীদের ‘টেম্পল রান’ বা মন্দির দর্শনের নির্দেশকে বিরোধীরা জনগণের আস্থার অভাব হিসেবে চিহ্নিত করলেও, বিজেপি একে জয়ের জন্য শুভকামনা হিসেবেই দেখছে।

এক ঝলকে

  • ৪ জুনের ফলাফল ঘোষণার আগে প্রতিটি বিজেপি প্রার্থীকে স্থানীয় মন্দিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • ইভিএম সুরক্ষার দায়িত্বে রবিবার থেকে প্রতিটি স্ট্রংরুমের বাইরে ধরনায় বসছে বিজেপির মহিলা ব্রিগেড।
  • গণনাকেন্দ্রে কারচুপি ও অশান্তির আশঙ্কা থেকেই এই বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেতৃত্ব।
  • শাসকদলের পাল্টা কৌশল হিসেবেই বিজেপির এই মাঠ ও মন্দির দখলের লড়াইকে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *