টাকা জমানোর ৩-৬-৯ নিয়মটি জানেন কি? এটি মেনে চললে ঘুচবে আজীবন আর্থিক সংকট – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং চাকরি হারানো বা চিকিৎসার মতো জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে বিশেষজ্ঞগণ এই ৩-৬-৯ (3-6-9) নিয়মটি মেনে চলার পরামর্শ দেন। মূলত একটি শক্তিশালী ‘ইমার্জেন্সি ফান্ড’ বা জরুরি তহবিল গড়ে তোলাই এই নিয়মের মূল লক্ষ্য।
৩ বলতে কী বোঝায়?
আপনার মাসিক খরচের অন্তত ৩ গুণ টাকা একটি পৃথক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা উচিত। উদাহরণস্বরূপ, আপনার মাসিক খরচ যদি ৫০ হাজার টাকা হয়, তবে জরুরি তহবিল হিসেবে আপনার কাছে ১.৫ লক্ষ টাকা থাকা প্রয়োজন। যারা অবিবাহিত বা সবেমাত্র চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাদের জন্য এই পরিমাণ অর্থ যথেষ্ট।
৬ বলতে কী বোঝায়?
আপনার ওপর যদি পরিবারের দায়িত্ব থাকে, তবে মাসিক খরচের অন্তত ৬ গুণ টাকা সঞ্চয় করে রাখা জরুরি। এর ফলে কোনো কারণে আয় বন্ধ হয়ে গেলেও অন্তত ৬ মাস আপনার সংসার কোনো সমস্যা ছাড়াই চলবে।
৯ বলতে কী বোঝায়?
যাদের বড় অঙ্কের ঋণ (যেমন হোম লোন) রয়েছে অথবা যাদের আয়ের উৎস স্থিতিশীল নয়, তাদের মাসিক খরচের ৯ গুণ টাকা সঞ্চয় রাখা উচিত। এই সঞ্চয় আপনাকে ৯ মাস পর্যন্ত যেকোনো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার শক্তি জোগাবে।
তহবিল ব্যবস্থাপনা
এই জরুরি তহবিলের টাকা এমন জায়গায় রাখা উচিত (যেমন সেভিংস অ্যাকাউন্ট বা লিকুইড ফান্ড) যেখান থেকে প্রয়োজনে দ্রুত টাকা তোলা যায়। মনে রাখবেন, এই টাকা শুধুমাত্র প্রকৃত জরুরি অবস্থাতেই ব্যবহার করবেন, বিলাসিতার জন্য নয়।

