ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট: সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের! – এবেলা

ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট: সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি আবারও নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। মঙ্গলবার তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে; অভিযোগের মূলে রয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে তাঁর করা একটি বিতর্কিত সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। ঝিনুক দিয়ে সাজানো “86 47” সংখ্যাগুলো সম্বলিত একটি ছবি শেয়ার করার ঘটনাটি মার্কিন রাজনীতিতে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তবে, কোমির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সুনির্দিষ্ট বিবরণ কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত গোপন রেখেছেন।

বিতর্কিত সংখ্যাগুলোর পেছনের গোপন অর্থ
মার্কিন স্ল্যাং বা প্রাত্যহিক কথ্য ভাষায়, “86” শব্দটি কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে সরিয়ে ফেলা কিংবা নির্মূল করার অর্থে ব্যবহৃত হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর ধারণা, “86 47” পোস্ট করার মাধ্যমে—যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনরত ট্রাম্পকেই নির্দেশ করে—কোমি পরোক্ষভাবে তাঁর পদচ্যুতি দাবি করছিলেন, অথবা তাঁর কোনো ক্ষতি হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। এই পোস্টটিকে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে গণ্য করে, সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।

কোমির ব্যাখ্যা এবং চলমান বিরোধ
এই অভিযোগগুলোর জবাবে জেমস কোমি জানান যে, তিনি বিন্দুমাত্র ধারণা করেননি যে সংখ্যাগুলোকে সহিংসতার সাথে সম্পর্কিত হিসেবে ব্যাখ্যা করা হতে পারে। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, সমুদ্রসৈকতে হাঁটার সময় তিনি ঝিনুকের একটি প্রাকৃতিক বিন্যাস দেখতে পান এবং সেটিরই একটি ছবি তুলেছিলেন মাত্র; আর বিতর্ক শুরু হওয়ার সাথে সাথেই তিনি পোস্টটি মুছে ফেলেন। ২০১৭ সালে ট্রাম্প তাঁকে এফবিআই পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই এই দুজনের মধ্যে তীব্র বিরোধ চলে আসছে। সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি ট্রাম্প প্রশাসন এবং কোমির মধ্যকার শত্রুতাকে আরও উসকে দিয়েছে।

এক নজরে

  • প্রেসিডেন্টকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝিনুকের একটি ছবি পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত, যার সাথে ’86 47′ বার্তাটি যুক্ত ছিল।
  • কর্মকর্তাদের অভিযোগ, এই সাংকেতিক বার্তার মাধ্যমে কোমি ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করার আহ্বান জানাচ্ছিলেন।
  • ট্রাম্প এবং কোমির মধ্যকার রাজনৈতিক উত্তেজনা ২০১৭ সাল থেকেই অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *