দলবদলের জল্পনায় নীরব ইউসুফ, কোন পথে বহরমপুরের সাংসদ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দিল্লিতে জাতীয় রাজনীতিতে নাটকীয় পটপরিবর্তন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের বিদ্রোহের জেরে তৈরি হয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের মাঝেই তৃণমূলের বর্ষীয়ান নেতা সুখেন্দু শেখর রায়ের পদত্যাগ এবং বিদ্রোহী সাংসদদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাসাবাড়িতে বৈঠকের ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন তুলেছে। এই পরিস্থিতিতে বহরমপুরের সাংসদ তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানের অবস্থান নিয়ে তৈরি হয়েছে গভীর ধোঁয়াশা।
তৃণমূলের অন্দরে বিদ্রোহ ও ইউসুফের নীরবতা
তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার দাবি করেছেন, দলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছেড়ে এনডিএ-তে যোগ দিতে ইচ্ছুক এবং সেই তালিকায় ইউসুফ পাঠানের নামও রয়েছে। এই দাবির পরেই কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সরাসরি ইউসুফকে আক্রমণ করে তাঁর দিল্লি যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে এত সব অভিযোগ ও বিতর্কের পরও ইউসুফ পাঠান সম্পূর্ণ নীরব রয়েছেন। দল ও নিজের অবস্থান নিয়ে তিনি এখনও পর্যন্ত একটি শব্দও খরচ করেননি, যা জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
সঙ্কট ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব
ক্রিকেটের মাঠের পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে রাজনীতির জটিল ময়দানে এসেই বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছেন এই প্রাক্তন ভারতীয় তারকা। ঘটনার মূল কারণ হিসেবে বিরোধী শিবিরে দলবদলের হিড়িক এবং শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি একাংশের অনাস্থাকেই দায়ী করা হচ্ছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আনুগত্য নিয়ে ওঠা এই প্রশ্নের মুখে তাঁর পক্ষে দীর্ঘসময় মৌনব্রত পালন করা সম্ভব হবে না। দ্রুত নিজের অবস্থান স্পষ্ট না করলে তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরুতেই বড় ধরনের আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে, যা তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
