দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের অস্তিত্ব সংকটে, হাতছাড়া হতে চলেছে দলের পার্টি অফিস! – এবেলা

দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের অস্তিত্ব সংকটে, হাতছাড়া হতে চলেছে দলের পার্টি অফিস! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ ডামাডোল এখন দলের অস্তিত্ব ও প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর বড়সড় প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। দিল্লির রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে কলকাতার অস্থায়ী সদর দপ্তর—দলের এই দুই প্রধান কেন্দ্র এখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে। ২০ জন সাংসদের বিদ্রোহ এবং নতুন ব্লক গঠনের জেরে তৃণমূলের সংসদীয় ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে বড় ধরনের ধাক্কা এসেছে, যা দলের দাপ্তরিক স্থান দখলের লড়াইকে আরও জটিল করে তুলেছে।

দিল্লিতে সাংসদদের বিদ্রোহ ও অফিসের অনিশ্চয়তা

রাজধানীর রাজেন্দ্র প্রসাদ রোডে অবস্থিত যে বাংলোকে তৃণমূল এতদিন তাদের দিল্লি কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করত, তা এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে। ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ায় এই বাংলোর অধিকার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পার্থ ভৌমিকের সরকারি বাংলোকেই দিল্লির দপ্তর হিসেবে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল, যেখান থেকে দলের সংসদীয় ব্যাক-অফিসের কাজ পরিচালিত হতো। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি অনুযায়ী, এখন আর কালীঘাট ঘনিষ্ঠদের ওই বাংলো ব্যবহারের অনুমতি পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। ফলে রাজধানীর বুকে নতুন দপ্তরের সন্ধান করা তৃণমূলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কলকাতায় আইনি জটিলতা ও দপ্তরের চাপ

দিল্লির পাশাপাশি কলকাতায় ইএম বাইপাস লাগোয়া মেট্রোপলিটনের অস্থায়ী সদর দপ্তর নিয়েও অস্বস্তি কমছে না। চুক্তির মেয়াদ ২০২৫ সালেই শেষ হয়ে যাওয়ায় বাড়ির মালিক মন্টু সাহা ভবনটি খালি করার দাবি জানিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আইনি জটিলতা এড়াতে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ প্রগতি ময়দান থানায় চিঠি দিয়ে দপ্তর স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানালেও, নতুন দপ্তরের ঠিকানা এখনও অজানা। তপসিয়ার মূল তৃণমূল ভবন এখনও নির্মীয়মান অবস্থায় থাকায় এই পরিস্থিতিতে দপ্তর স্থানান্তর নিয়ে দলের অন্দরে প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *