দিল্লি সীমান্তে নজিরবিহীন নিষেধাজ্ঞা ও গণআটক! ককরোচ বিক্ষোভকে ‘ফ্লপ শো’ আখ্যা দিয়ে বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিস্ফোরক দাবি বিজেপির – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচি স্তব্ধ করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। দিল্লিগামী ট্রেন ও মেট্রো চলাচল বন্ধের পাশাপাশি ইন্টারনেট পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেড ও বিপুল আধাসেনা মোতায়েনের মাঝেই প্রতিবাদীদের গণহারে আটক করে দিল্লি পুলিশ। বিমানে নামামাত্রই সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে অজ্ঞাতবাসে নিয়ে যাওয়া হয়। আটক হন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী সহ এমএ বেবি, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও বৃন্দা কারাটের মতো শীর্ষ বাম নেতানেত্রীরা। সব প্রথম ও দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব পুলিশি হেফাজতে যাওয়ায় আন্দোলন শেষমেশ তেমন জোরদার হতে পারেনি।
এই পরিস্থিতির পর পুরো ঘটনাকে অরাজকতা সৃষ্টির ব্যর্থ চেষ্টা বলে দাবি করেছে বিজেপি। দলের সর্বভারতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানান, হিংসা ছড়ানোর এই ‘ফ্লপ শো’ ভেস্তে দিয়ে দেশের গণতন্ত্র ‘ভিড়তন্ত্র’-কে পরাজিত করেছে। অন্যদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন মারাত্মক অভিযোগ তুলে বলেন, দেশে অশান্তি তৈরির পিছনে কাজ করছে দুই নৈরাজ্যবাদী শক্তি— কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডি’ জোট এবং আপের সহযোগী ককরোচ। শাসকদলের স্পষ্ট দাবি, ১৪০ কোটি মানুষের শান্তিপূর্ণ দেশকে অস্থির করে তুলতে এই ‘আরশোলা’ বিক্ষোভের নেপথ্যে সক্রিয় রয়েছে বিদেশি শক্তি।
