দুর্নীতি দমনে বড় পদক্ষেপ, শুভেন্দু সরকারের নতুন চালে এসিবি-তে ৩ শীর্ষ আইপিএসসহ ১৯ জন! – এবেলা

দুর্নীতি দমনে বড় পদক্ষেপ, শুভেন্দু সরকারের নতুন চালে এসিবি-তে ৩ শীর্ষ আইপিএসসহ ১৯ জন! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

রাজ্যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে পালন করতে দুর্নীতি দমন শাখা (এসিবি)-র ক্ষমতা এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিল রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দপ্তরের পুলিশ সার্ভিস সেলের সাম্প্রতিক নির্দেশিকা অনুযায়ী, গোয়েন্দা শাখা (আইবি)-র ৩ জন শীর্ষ আইপিএস অফিসারকে অবিলম্বে এসিবি-তে ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে।

এসিবি-তে পাঠানো ৩ শীর্ষ আইপিএস অফিসার:

  • মুরলিধর শর্মা: আইবি-র আইজিপি। পূর্বে বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার ও কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন।
  • আকাশ মাঘারিয়া: ২০০৯ ব্যাচের আইপিএস ও আইবি-র ডিআইজি। এর আগে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার এবং কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসিপি ছিলেন।
  • কামনাশিস সেন: ২০১৪ ব্যাচের আইপিএস ও আইবি-র সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট। পূর্বে পূর্ব বর্ধমান ও বারুইপুরের এসপি পদে কর্মরত ছিলেন।

আরও ১৬ কর্মকর্তা ও সদস্যের অন্তর্ভুক্তি:

শুধু ৩ জন শীর্ষ আইপিএস-ই নন, তাঁদের পাশাপাশি আরও ১৬ জন অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসার ও কর্মী কে দুর্নীতি দমন শাখায় পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন:

  • ১ জন ডিএসপি: ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি বিশ্বজিৎ পাত্র।
  • ৮ জন ইন্সপেক্টর
  • ৩ জন সাব-ইন্সপেক্টর
  • ৪ জন কনস্টেবল

পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ, সিআইডি, আইবি, ব্যারাকপুর কমিশনারেট, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি গ্রামীণ, কৃষ্ণনগর, সুন্দরবন এবং হাওড়া জিআরপি থেকে দক্ষ আধিকারিকদের নিয়ে এই বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।

সিদ্ধান্তের মূল কারণ:

রাজ্যে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতেই সরকার এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের যে বার্তা দিয়েছিলেন, এই নিয়োগকে তারই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিক নির্দেশে এই ডেপুটেশনের মেয়াদ ২ মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ অভিযান এবং তদন্তপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে দক্ষ আধিকারিকদের নিয়ে এই শক্তপোক্ত দল তৈরি করা হলো।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *