নন্দীগ্রামে পদ্মঝড়, স্থানান্তরিত ভোটে দ্বিতীয় ‘হাত’: ‘মরা দল, রাহুলকে ঘোরালেও কিছু হবে না’, কটাক্ষ শুভেন্দুর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে নিজেদের জয়ের ধারা অক্ষুণ্ণ রাখল বিজেপি। প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করে ১ লক্ষ ২২ হাজার ১৩৬ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। তবে ফলাফলের সবচেয়ে চমকপ্রদ দিক হলো— গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে পেছনে ফেলে নন্দীগ্রামে প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে কংগ্রেস।
প্রায় ৫০ হাজার ভোট পেয়ে ‘হাত’ শিবিরের এই উত্থানকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে নারাজ শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেসকে সরাসরি ‘মরা দল’ আখ্যা দিয়ে তিনি কটাক্ষ করেন, “না না, ও সব কিছু নয়। কংগ্রেস একটা মরা দল। রাহুল গান্ধীকে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরলেও ওদের কিছু হবে না।”
নন্দীগ্রামে কংগ্রেসের এই ফলাফলের নেপথ্য রাজনৈতিক অঙ্ক ব্যাখ্যা করে শুভেন্দু দাবি করেন, এটি কংগ্রেসের নিজস্ব কোনো জনভিত্তি নয়, বরং পুরোটাই তৃণমূলের স্থানান্তরিত ভোট। একুশের নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম— দুই আসন থেকেই জয়ী হলেও নিয়ম অনুযায়ী নন্দীগ্রাম ছেড়েছিলেন শুভেন্দু। এর পর উপনির্বাচনে প্রতীক ও প্রার্থী নিয়ে তৃণমূলের অন্তর্বর্তী কোন্দল প্রকাশ্যে আসে। প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলে শেষ মুহূর্তে অপ্রত্যাশিতভাবে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভোটের মুখে ২০২৩ সালের একটি খুনের মামলায় গ্রেপ্তার হন মিলন প্রধান। ১২ দিন কারাবাসের পর অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তি পান তিনি। আদালতের নির্দেশে এই আইনি পদক্ষেপ হওয়া সত্ত্বেও প্রার্থী গ্রেপ্তার নিয়ে আইনি চক্রান্তের অভিযোগ উঠলে তা নস্যাৎ করে দেন শুভেন্দু। তাঁর সাফ বক্তব্য, তৃণমূলের নিজস্ব যে সমর্থক ও সংগঠন নন্দীগ্রামে রয়েছে, মমতার সমর্থনে সেই ভোটটাই সরাসরি রামধনু জোটের মতো কংগ্রেসে গিয়ে পড়েছে।
