নির্বাচন কমিশনকে ‘ক্যাপচার কমিশন’ আখ্যা দিয়ে মমতার তীব্র আক্রমণ
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও স্বৈরাচারী আচরণের অভিযোগ তুলে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনকে ‘টর্চার’ ও ‘ক্যাপচার কমিশন’ আখ্যা দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিহারে নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয়েছে, বাংলার ক্ষেত্রে কেন তার ব্যতিক্রম ঘটছে। ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্তকরণ এবং এসআইআর প্রক্রিয়ায় অসংগতির অভিযোগ তুলে তিনি একে ‘তুঘলকি কাণ্ড’ বলে অভিহিত করেন।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আইটি সেলের প্রভাবে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই লগ-ইন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিডিও, ডিএম এবং পুলিশ প্রশাসনকে ভয় দেখিয়ে রাজ্যের এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার এই প্রচেষ্টাকে তিনি ‘হিটলারি’ শাসনের সঙ্গে তুলনা করে কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
দিল্লির নেতাদের নির্দেশে কমিশন চলছে বলে দাবি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানান, আইন মেনে চললে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাত নিশ্চিত। ভোটারদের অধিকার রক্ষায় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা থাকলে প্রকৃত ভোটারদের বাদ না দিয়ে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করে দেখাক কমিশন। গণতন্ত্র রক্ষার স্বার্থে এই ‘থ্রেট কালচার’ বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।

