পুজোর মুখে দুর্ভোগ দূর করতে ময়দানে ডাক্তারবাবু! তমলুকে বেহাল রাস্তা সংস্কারে বিজেপি নেতা – এবেলা

পুজোর মুখে দুর্ভোগ দূর করতে ময়দানে ডাক্তারবাবু! তমলুকে বেহাল রাস্তা সংস্কারে বিজেপি নেতা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

উৎসবের মরসুমে শহরের রাস্তায় চলাচলেই এখন বড় বিপদ! ‘অম্রুত’ জল প্রকল্পের পাইপলাইন বসানোর পর দীর্ঘদিন কেটে গেলেও মেরামত হয়নি রাস্তা। ঢালাই ভেঙে তৈরি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ, যা চলাচলের অযোগ্য করে তুলেছে এলাকার পথঘাট। পুজোর মুখে সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ কমাতে এবার সরাসরি রাজপথে নামলেন চিকিৎসক তথা বিজেপি নেতা অনিন্দ্য সুন্দর দাস। তমলুক পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের এই বাসিন্দা স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে নিয়ে নিজ উদ্যোগে শুরু করেছেন বেহাল রাস্তা সংস্কারের কাজ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অম্রুত প্রকল্পের জন্য রাস্তা খোঁড়ার পর ঠিকাদার বা পুরসভা কেউ তা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার তোয়াক্কা করেনি। ভাঙা রাস্তা দিয়েই বাধ্য হয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে সকলকে। চারচাকা বা মোটরবাইক চলাচলের সময় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অনিন্দ্যবাবুর দাবি, “শুধু ২০ নম্বর ওয়ার্ড নয়, পুরো পুর এলাকাতেই জল প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর রাস্তা মেরামত অধরা রয়ে গেছে। সামনেই দুর্গাপুজো, রাস্তায় ভিড় বাড়বে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং দুর্ঘটনা এড়াতেই আমরা ইট-বালি দিয়ে আপাতত এই গর্তগুলো ভরাট করার উদ্যোগ নিয়েছি।”

তবে তিনি এ-ও স্পষ্ট জানান যে, এটি কেবল একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা। পুরসভার প্রশাসনিক অচলাবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “পুরসভায় কোনো নির্বাচিত চেয়ারম্যান বা কাউন্সিলর না থাকায় নাগরিক পরিষেবা পুরোপুরি ব্যাহত।” ভবিষ্যতে বিজেপি পুরবোর্ডের ক্ষমতায় এলে রাস্তাঘাট ও পথবাতির স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা দুলাল গায়েন ও সুদীপ্ত মাইতির কথায়, “দীর্ঘদিন ধরে এই ভাঙা রাস্তায় যাতায়াত করতে গিয়ে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। পুজোর আগে অন্ততঃ রাস্তাটি চলাচলের যোগ্য হওয়ায় সাময়িক স্বস্তি মিলবে।”

অন্যদিকের, বিতর্ক এড়াতে পুরসভার বর্তমান প্রশাসকের তরফে জানানো হয়েছে, শহরের অধিকাংশ রাস্তা সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়া ইতিপূর্বে সম্পন্ন হয়েছে। অনুমোদনের জন্য তা পাঠানো হয়েছে এবং সরকারি সবুজ সংকেত মিললেই স্থায়ীভাবে মেরামতের কাজ শুরু হবে। তবে সেই অনুমোদন কবে আসবে এবং স্থায়ী কাজ কবে শুরু হবে, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে তমলুকবাসী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *