লেটেস্ট নিউজ

পেশি বৃদ্ধিতে পেপটাইড ইঞ্জেকশন ব্যবহারের ভয়াবহ ঝুঁকি, সতর্ক করল এফডিএ

পেশিবহুল শরীর ও সিক্স প্যাক তৈরির নেশায় বর্তমানে অনেকেই কৃত্রিম পেপটাইড ইঞ্জেকশনের দিকে ঝুঁকছেন। কম পরিশ্রমে দ্রুত ফলাফল পেতে এই পদ্ধতির জনপ্রিয়তা বাড়লেও এর মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। মূলত হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা ও কোষ মেরামতির জন্য শরীরে প্রাকৃতিক পেপটাইড থাকলেও, কৃত্রিমভাবে এটি প্রয়োগ করলে পিটুইটারি গ্রন্থি অস্বাভাবিক উদ্দীপিত হয়।

চিকিৎসকদের মতে, জিএইচআরপি-২ বা জিএইচআরপি-৬ জাতীয় পেপটাইড নিয়মিত গ্রহণে শরীরের স্বাভাবিক হরমোন উৎপাদন প্রক্রিয়া স্থবির হয়ে পড়ে। এর ফলে টেস্টোস্টেরনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পায়। এছাড়া রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় টাইপ-২ ডায়াবিটিস এবং হাড়ের গঠনে বিকৃতির মতো জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অতিরিক্ত হরমোন প্রয়োগের ফলে শুধু পেশি নয়, বরং হৃৎপিণ্ড, লিভার ও কিডনিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এমনকি অস্বাভাবিক কোষ বিভাজনের কারণে ক্যানসারের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই জীবনযাত্রায় সাময়িক চাকচিক্য আনতে গিয়ে শরীরের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *