প্রথমে জীবনদান তারপর কেড়ে নিল প্রাণ, সত্য সামনে আসতেই হতবাক পুলিশ, কারণ জানলে শিউরে উঠবে আত্মা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
আন্ধ্রপ্রদেশে এক হাড়হিম করা ঘটনার সাক্ষী থাকল পুলিশ প্রশাসন। যে মা সন্তানকে জন্ম দিয়েছেন, তিনিই সেই সন্তানের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার নীল নকশা তৈরি করেছিলেন। অভিযুক্ত ৫০ বছর বয়সী শ্যামলা তার ২২ বছরের ছেলে জয়প্রকাশ রেড্ডিকে হত্যার জন্য ৬ লক্ষ টাকার চুক্তি করেছিলেন এক ভাড়াটে খুনি চক্রের সাথে। এক সময় যে মা সন্তানের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখতেন, পারিবারিক অশান্তির জেরে তিনিই হয়ে উঠলেন কাল।
মদ আর টাকা নিয়ে বিবাদই কাল হল
নিহত জয়প্রকাশ রেড্ডি ছিলেন এমবিএ-র ছাত্র। সম্প্রতি তিনি মদের নেশায় প্রবলভাবে আসক্ত হয়ে পড়েন এবং টাকার জন্য বাড়িতে প্রায়ই অশান্তি করতেন। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে, ছেলের এই আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে শ্যামলা তার পরিচিত এক খেতমজুর মহেশের সাথে যোগাযোগ করেন। ছেলেকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য তাকে প্রাথমিক কিস্তিতে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিমও দেওয়া হয়। গত ৭ নভেম্বর মুম্বাই-চেন্নাই হাইওয়ের পাশে একটি মদের দোকানের কাছ থেকে জয়প্রকাশের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
একটি ফোন কলেই ফাঁস হল রহস্য
প্রাথমিকভাবে একে সাধারণ মৃত্যু মনে করা হলেও ফরেনসিক দল ও ডগ স্কোয়াডের তল্লাশিতে খুনের ইঙ্গিত মেলে। এরপরই তদন্তের মোড় ঘোরে মহেশের দিকে। মহেশের মোবাইল কল রেকর্ড খতিয়ে দেখতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, খুনের ঠিক পরেই সে শ্যামলাকে ফোন করেছিল। সেই একটি ফোন কলই পুলিশের সামনে পুরো রহস্য উন্মোচন করে দেয়। এই নৃশংস ষড়যন্ত্রের অভিযোগে পুলিশ মা শ্যামলা, মূল অভিযুক্ত মহেশসহ মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এক ঝলকে
- মদ্যপ ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ৬ লক্ষ টাকায় খুনি ভাড়া করেন মা।
- মৃত জয়প্রকাশ রেড্ডি একজন এমবিএ ছাত্র ছিলেন।
- হাইওয়ের পাশে মদের দোকানের কাছ থেকে যুবকের নিথর দেহ উদ্ধার হয়।
- পুলিশ মা ও ভাড়টে খুনিসহ মোট আটজনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে।
The post প্রথমে জীবনদান তারপর কেড়ে নিল প্রাণ, সত্য সামনে আসতেই হতবাক পুলিশ, কারণ জানলে শিউরে উঠবে আত্মা appeared first on বার্তা.in.
