প্রধানদের ক্ষমতা কাড়ছে রাজ্য? ১২৫ দিনের কাজের নজরদারিতে এবার খোদ বিধায়করা – এবেলা

প্রধানদের ক্ষমতা কাড়ছে রাজ্য? ১২৫ দিনের কাজের নজরদারিতে এবার খোদ বিধায়করা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

গ্রামে গ্রামে ১২৫ দিনের কাজের (VB-G RAM G) ওপর নজরদারি বাড়াতে এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। পঞ্চায়েত প্রধানদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এবার সরাসরি এলাকার বিধায়কদের মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোন এলাকায় কী কাজ হবে, তা এবার চিহ্নিত করবেন খোদ বিধায়করাই। আর এর জন্যই তাঁদের বিশেষ প্রশিক্ষণ বা ‘ক্লাস’ করানোর প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর।

একনজরে খবরের মূল আপডেট:

  • বিধায়কদের স্পেশাল ‘ক্লাস’: VB-G RAM G প্রকল্পে কী কী কাজ করা যায় এবং কীভাবে নজরদারি চালাতে হবে, তা নিয়ে বিধায়কদের প্রশিক্ষণ দেবে রাজ্য। এলাকার উন্নয়নের রূপরেখা এবার তাঁরাই তৈরি করবেন।
  • পঞ্চায়েত প্রধানদের ডানা ছাঁটা হচ্ছে: খুব শীঘ্রই পঞ্চায়েত আইনে বদল আনতে চলেছে রাজ্য। পঞ্চায়েত প্রধানদের হাত থেকে আর্থিক ক্ষমতা সরিয়ে তা সরকারি আধিকারিকদের দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।
  • শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি: ১২৫ দিনের কাজে দক্ষ শ্রমিকদের (রাজমিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান ইত্যাদি) দৈনিক মজুরি ৫২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ টাকা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অর্ধ-দক্ষ শ্রমিকদের (সুপারভাইজার) মজুরি ৩৯০ টাকা থেকে বেড়ে হচ্ছে ৪৫০ টাকা
  • কাজে কেন এত দেরি? রাজ্যের ৩,৩৩৯টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে প্রায় ২,৯০০টিতেই নির্দিষ্ট সময়ে ১২৫ দিনের কাজ শুরু হয়নি! কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আসা সত্ত্বেও কাজ থমকে থাকার মূল কারণ— বহু পঞ্চায়েত প্রধানের অনুপস্থিতি বা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব।

দফতরের আধিকারিকদের মতে, পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতেই যাবতীয় আর্থিক ক্ষমতা থাকার ফলে এই চরম অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। সেই প্রশাসনিক জট কাটাতে এবং সাধারণ মানুষের কাজ যাতে না আটকায়, তার জন্যই আইন সংশোধন ও বিধায়কদের মাধ্যমে কড়া নজরদারির পথে হাঁটছে রাজ্য সরকার।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *