ফলতায় কি তবে পুনরায় ভোট? নির্বাচন শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিস্ফোরক দাবি বিজেপির – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় তথা অন্তিম দফায় সাতটি জেলায় ভোটগ্রহণ শুরু হতেই তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা। বুধবার সকাল থেকে ১৪২টি কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন সাধারণ মানুষ। তবে বেলা গড়াতেই ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। ভোট শুরুর প্রথম চার ঘণ্টার মধ্যেই এই কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।
নজরে নিরাপত্তা ও ভোটদানের হার
এবারের নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও এনআইএ-এর কড়া নজরদারির পাশাপাশি মোতায়েন রয়েছে কয়েক হাজার পুলিশকর্মী। প্রথম দফার নির্বাচনে ভোটদানের হারে বাংলা রেকর্ড গড়েছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা হয়েছিল। দ্বিতীয় দফাতেও সেই ট্রেন্ড বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে উৎসাহ থাকলেও ফলতার ঘটনা গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, নির্দিষ্ট কিছু বুথে ভোটারদের বাধা দেওয়া এবং এজেন্টদের বসতে না দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনার প্রভাব ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
ফলতায় পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এখন সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজেপির এই অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয়, তবে সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে নতুন করে ভোট গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে কমিশন। এর ফলে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল যেমন প্রভাবিত হতে পারে, তেমনই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে যাতে সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে বুথে ফিরতে পারেন।
এক ঝলকে
- পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ৭টি জেলার ১৪২টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।
- ভোট শুরুর মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবি তুলেছে বিজেপি।
- নিরাপত্তার স্বার্থে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী ও এনআইএ মোতায়েন করা হয়েছে।
- প্রথম দফার রেকর্ড ভাঙা ভোটদানের হারের পর দ্বিতীয় দফাতেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
