বকেয়া ডিএ ও সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় আপডেট! মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে কী জানালেন দিলীপ ঘোষ? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। সোমবার ১৮ মে, নবান্নে দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগে এই ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, রাজ্যের আর্থিক টানাপোড়েন থাকলেও বকেয়া ডিএ (DA) প্রদান এবং সপ্তম বেতন কমিশন রূপায়ণের বিষয়টি নিয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন করে সাধারণ মানুষের কাছে সুফল পৌঁছে দেওয়াই নতুন সরকারের লক্ষ্য।
মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হতে শুরু করেছে। যার মধ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ঊর্ধ্বসীমা ৫ বছর বৃদ্ধি করার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ অন্যতম। এর পাশাপাশি সীমান্তে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া গতি পেয়েছে এবং জমি চিহ্নিতকরণের কাজও শুরু হয়েছে। আজকের দ্বিতীয় বৈঠকে এই সমস্ত জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত কার্যকর করার রূপরেখা তৈরি হবে বলে জানা গেছে। পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠিত হলে কাজের গতি আরও বাড়বে বলে আশ্বস্ত করেছে প্রশাসন।
যোগীর মডেল এবং কড়া বার্তা
প্রশাসনিক সংস্কার ও আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের ‘যোগী মডেল’ অনুসরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। বিশেষ করে রেলের জমি জবরদখল মুক্ত করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। স্টেশন চত্বর বেআইনি দখলদার মুক্ত করে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সুগম করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধর্মীয় ভাবাবেগকে হাতিয়ার করে উসকানি বা পাথর ছোঁড়ার মতো বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টার বিরুদ্ধে পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভিআইপি নিরাপত্তা কমিয়ে পুলিশকে সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় বেশি নিয়োজিত করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
এক ঝলকে
- সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) ও সপ্তম বেতন কমিশন চালু করার বিষয়ে মন্ত্রিসভায় ইতিবাচক আলোচনা শুরু হয়েছে।
- সরকারি চাকরির আবেদনের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫ বছর বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যে জারি করা হয়েছে।
- রাজ্যের স্টেশন চত্বর ও রেলের জমি জবরদখল মুক্ত করতে উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনিক মডেল অনুসরণ করা হচ্ছে।
- ভিআইপি নিরাপত্তা হ্রাস করে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ও সাধারণ মানুষের সুরক্ষায় পুলিশ বাহিনীকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
