বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রদান: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্য সরকার বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (DA) প্রথম কিস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করলেও প্রাপকদের তালিকায় বিভাজন নিয়ে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বর্তমান সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তদের নাম তালিকায় থাকলেও, অনুদানপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক এবং পঞ্চায়েত ও পুরসভা কর্মীদের নাম আপাতত বাদ রাখা হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ডেপুটেশনে থাকা কর্মীদের তথ্য এইচআরএমএস সিস্টেমে সরাসরি না থাকায় তাদের বকেয়া গণনা আপাতত স্থগিত রয়েছে। তবে সরকার আশ্বস্ত করেছে যে, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে বিস্তৃত হিসাবের মাধ্যমে এই বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হবে।
অবসরপ্রাপ্ত বা বদলি হওয়া কর্মীদের ক্ষেত্রে বকেয়া মেটানোর দায়িত্ব পালন করবেন তাদের শেষ কর্মস্থলের ডিডিও (DDO)। যদি কোনো অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ডিডিও-র মাধ্যমে তা দ্রুত আপডেট করতে হবে। কর্মরত অবস্থায় কোনো কর্মীর মৃত্যু হলে তার আইনি উত্তরাধিকারীকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিয়ে বকেয়া সংগ্রহ করতে হবে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে যাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্ট এজি-বেঙ্গল দ্বারা পরিচালিত, তাদের বকেয়া সরাসরি জিপিএফ-এ জমা হবে, অন্যথায় তা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যাবে।
সাসপেনশনে থাকা কর্মীদের বকেয়া মূলত সেই সময়ের হ্রাসপ্রাপ্ত বেসিক পে-এর ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে, জিপিএফ-এ বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বসীমা বা সুনির্দিষ্ট ডিএ হার সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে আইএফএমএস-এর পরিবর্তে সরাসরি অর্থ দপ্তরের নির্দেশিকা (GO) অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। হিসাবে কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি থাকলে কর্মীদের টেকনিক্যাল টিমের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে হাজার হাজার কর্মী ও পেনশনভোগী তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বকেয়া হাতে পেতে চলেছেন।

