বদলে যাবে ভাগ্য! গ্রহের দোষ কাটাতে আর দামী রত্ন নয় বরং মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলি – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
February 19, 202610:01 am
জ্যোতিষশাস্ত্রে গ্রহের কুপ্রভাব কাটাতে আমরা সাধারণত দামী রত্ন বা জটিল যজ্ঞের কথা ভাবি। কিন্তু বাস্তু ও জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অতি সাধারণ কিছু কাজের মধ্যেই লুকিয়ে আছে গ্রহ শান্তির চাবিকাঠি। আপনার হাতের মুঠোয় থাকা এই ছোট ছোট অভ্যাসগুলোই বদলে দিতে পারে আপনার ভাগ্যের চাকা।
ঠাকুরঘরের পরিচ্ছন্নতায় বৃহস্পতির আশীর্বাদ
বাড়ির ঠাকুরঘর বা উপাসনার স্থানটি সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। নিয়মিত ঠাকুরঘর গুছিয়ে রাখলে কুণ্ডলীতে বৃহস্পতি গ্রহ শক্তিশালী হয়, যা আপনার জীবনে জ্ঞান, সম্পদ এবং মানসিক শান্তি বয়ে আনে।
সময়ে ঘুম এবং চন্দ্রের প্রভাব
প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। অনিয়মিত জীবনযাপন চন্দ্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সময়মতো বিশ্রাম নিলে চন্দ্রের প্রতিকার হয়, যার ফলে মানসিক অস্থিরতা কমে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
এঁটো বাসন ও শনির দৃষ্টি
খাবার খাওয়ার পর নিজের এঁটো বাসনপত্র নির্দিষ্ট স্থানে বা ধোয়ার জায়গায় গুছিয়ে রাখুন। এই ছোট কাজটি আপনার কোষ্ঠীতে চন্দ্র ও শনি—উভয় গ্রহকেই শান্ত রাখতে সাহায্য করে। আলস্য ত্যাগ করে এই নিয়ম মানলে শনির কুদৃষ্টি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
অতিথি আপ্যায়ন ও রাহু-কেতু
বাড়িতে কোনো অতিথি বা আগন্তুক এলে প্রথমেই তাঁকে এক গ্লাস জল পান করতে দিন। ভারতীয় সংস্কৃতিতে একে সৌজন্য মনে করা হলেও জ্যোতিষ মতে এটি রাহু ও কেতুর অশুভ প্রভাব কাটানোর মোক্ষম উপায়। এতে পারিবারিক অশান্তি ও আকস্মিক বিপদ থেকে মুক্তি মেলে।
গাছের যত্ন ও চার গ্রহের মিলন
বাড়ির গাছে নিয়মিত জল দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এই একটি কাজের মাধ্যমে বুধ, শুক্র, চন্দ্র এবং রবি—একসঙ্গে চারটি গ্রহের প্রতিকার হয়। প্রকৃতি ও সবুজের কাছাকাছি থাকলে কেরিয়ারে সাফল্য যেমন আসে, তেমনই সামাজিক মান-সম্মান ও আর্থিক শ্রী বৃদ্ধি পায়।
দামী পাথরের পেছনে না ছুটে আজ থেকেই নিজের লাইফস্টাইলে এই পরিবর্তনগুলো এনে দেখুন। সুফল পাবেন হাতেহাতে।

