বাগদায় এসআইআর তালিকায় নাম তুলতে বিএলওর বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ, শোরগোল সীমান্তে
উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় এসআইআর বা ভোটার তালিকায় নাম তোলার বিনিময়ে মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল এক বিএলওর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত চন্দ্রকান্ত মণ্ডল বয়রা ঝাউখালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ১২০ নম্বর বুথের বিএলও হিসেবে কর্মরত। জনৈক ব্যক্তির পরিবারের ছয় সদস্যের নাম তালিকায় তোলার জন্য মোট ৫০ হাজার টাকা চাওয়ার একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ওই পরিবারটি আদতে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং ঘুরপথে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম না থাকা সত্ত্বেও মোটা অঙ্কের বিনিময়ে তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন ওই বিএলও। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রাক্তন বিধায়ক দুলাল বর জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও অভিযুক্ত বিএলও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে যান্ত্রিক কারসাজি বলে দাবি করেছেন।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাগদায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা। বিজেপির দাবি, শাসকদলের প্রশ্রয়েই বিএলও এই সাহস পাচ্ছেন। অন্যদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত হবে এবং দোষী সাব্যস্ত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সরকারিভাবে ওই ভাইরাল অডিওর সত্যতা এখনও যাচাই করা হয়নি। বর্তমানে প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

