বাড়ছে রান্নার গ্যাসের খরচ, সিলিন্ডার ডেলিভারিতে আসছে একগুচ্ছ বড় বদল! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টাতেই মধ্যবিত্তের হেঁশেলের বাজেটে বড়সড় রদবদলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। আগামী ১ মে ২০২৬ থেকে রান্নার গ্যাস বা এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বদলে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো প্রতি মাসের শুরুতে গ্যাসের দাম পর্যালোচনা করলেও, এবারের পরিবর্তন গ্রাহকদের পকেট এবং গ্যাস বুকিংয়ের অভ্যাসে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধি ও বুকিংয়ের কড়াকড়ি আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের অস্থিরতা ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে ১ মে থেকে বাণিজ্যিক ও গার্হস্থ্য উভয় ধরনের সিলিন্ডারের দাম বাড়তে পারে। পাশাপাশি, দুটি বুকিংয়ের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান বা ‘লক-ইন পিরিয়ড’ সংক্রান্ত নিয়মে বড় কড়াকড়ি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শহরাঞ্চলে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিনের ব্যবধান না থাকলে দ্বিতীয়বার গ্যাস বুক করা যাবে না। এর ফলে মাসের মাঝামাঝি গ্যাস ফুরিয়ে গেলে বিপাকে পড়তে পারেন সাধারণ গ্রাহকরা।
ডেলিভারি ও কেওয়াইসি সংক্রান্ত নতুন নীতি গ্যাস সিলিন্ডারের কালোবাজারি রুখতে এখন থেকে ওটিপি (OTP) ভিত্তিক ডেলিভারি ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। গ্রাহকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি ছাড়া ডেলিভারি বয় সিলিন্ডার হস্তান্তর করতে পারবেন না। এছাড়া, আধার ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন না করলে ১ মে-র পর থেকে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা ভর্তুকি বন্ধ হওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি, শহরাঞ্চলে সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস (PNG) ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
এক ঝলকে
- ১ মে থেকে রান্নার গ্যাসের দাম ও বুকিংয়ের নিয়মে পাঁচটি বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
- দুটি সিলিন্ডার বুক করার মধ্যে ন্যূনতম সময়ের ব্যবধান বাধ্যতামূলক হওয়ার সম্ভাবনা।
- কালোবাজারি রুখতে ওটিপি ছাড়া কোনো সিলিন্ডার ডেলিভারি নেওয়া যাবে না।
- আধার ই-কেওয়াইসি আসাম্পূর্ণ থাকলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে সরকারি ভর্তুকি।
