বিধায়কদের শপথ গ্রহণে সাজ সাজ রব, আজই প্রোটেম স্পিকার হচ্ছেন তাপস রায়

আঠারোতম বিধানসভার নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে চূড়ান্ত ব্যস্ততা শুরু হয়েছে বিধানসভা চত্বরে। মঙ্গলবার বিকেলে মানিকতলা কেন্দ্রের বর্ষীয়ান বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। আগামী দুই দিন নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ বাক্য পাঠ করানোর গুরুদায়িত্ব থাকবে তাঁর কাঁধেই। বিধানসভা সচিবালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্য়েই এই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্ঘণ্ট ও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
দুই দিনে সারা হবে শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া
বিধানসভা সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১৩ ও ১৪ মে দুই দফায় বিধায়কদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। বুধবার সকালের অধিবেশনে মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি এবং নদিয়া ও ২৪ পরগনার বিধায়করা শপথ নেবেন। বৃহস্পতিবার বাকি জেলাগুলির বিধায়কদের শপথ গ্রহণের জন্য সময় ধার্য করা হয়েছে। সংসদীয় রীতিনীতি মেনেই এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালিত হবে।
বিধায়কদের জন্য কড়া নির্দেশিকা
শপথ গ্রহণ পর্ব সুশৃঙ্খল রাখতে জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ পাঠিয়েছে বিধানসভা সচিবালয়। প্রতিটি বিধায়ককে তাঁদের মূল নির্বাচনী শংসাপত্র (অরিজিনাল ইলেকশন সার্টিফিকেট) এবং পরিচয়পত্রের জন্য চার কপি রঙিন স্ট্যাম্প সাইজ ছবি সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। বিধানসভা চত্বরে প্রবেশের ক্ষেত্রেও বিধায়কদের সঙ্গীদের সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে। প্রত্যেক বিধায়ক সর্বোচ্চ দু’জন অতিথিকে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবেন এবং তাঁদের জন্য অস্থায়ী পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
দীর্ঘ সংসদীয় অভিজ্ঞতাসম্পন্ন তাপস রায়ের তত্ত্বাবধানে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান নতুন বিধানসভার পথ চলাকে এক নতুন গতি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। সচিবালয়ের এই সুপরিকল্পিত নির্ঘণ্টের ফলে জেলাভিত্তিক বিধায়কদের শপথ গ্রহণের ভিড় এড়ানো এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা সম্ভব হবে। এখন বুধবারের সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা।
