বেকারদের লাইনে দাঁড় করিয়ে চরম অপমান! ইজ্জত নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অধীর চৌধুরী – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
ডিজিটাল ইন্ডিয়ার যুগেও কেন সরকারি অফিসের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে রাজ্যের শিক্ষিত যুবক-যুবতীদের? রাজ্য সরকারের নতুন ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্প নিয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানায় নিলেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর সাফ কথা, এই হাড়ভাঙা খাটুনি আর লাইনে দাঁড় করানো বেকারদের সম্মানে আঘাত করছে।
লাইনে দাঁড় করিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা?
অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, যেখানে বর্তমানে প্রায় সমস্ত সরকারি পরিষেবা অনলাইন হয়ে গিয়েছে, সেখানে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের জন্য কেন পঞ্চায়েত বা পুরসভার দরজায় লাইন দিতে হচ্ছে? তাঁর মতে, অভাবের তাড়নায় শিক্ষিত যুবকরা লাইনে দাঁড়াচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এতে তাঁদের ইজ্জতে লাগছে। সরকার কেন এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে অনলাইন করে স্বচ্ছতা আনছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
যুবশ্রী বনাম যুবসাথী: কীসের এই লড়াকু রাজনীতি?
২০১৩ সালে চালু হওয়া ‘যুবশ্রী’ প্রকল্প থাকতে থাকতেই কেন নতুন করে ‘যুবসাথী’ আনার প্রয়োজন পড়ল, তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন অধীর। এই দুই প্রকল্পের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য ঠিক কোথায়, তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে বলে দাবি তাঁর। কংগ্রেস নেতার আশঙ্কা, বেকারদের সত্যিকারের সহায়তা করার বদলে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং এর নেপথ্যে কোনো গভীর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে। শিক্ষিত যুবসমাজের সম্মান রক্ষার্থে অবিলম্বে এই প্রক্রিয়াকে অনলাইন করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

