ভোট শেষে রণক্ষেত্র বেহালা! তৃণমূল নেতা অঞ্জন দাসের মাথা ফাটল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ইঁটের ঘায়ে – এবেলা

ভোট শেষে রণক্ষেত্র বেহালা! তৃণমূল নেতা অঞ্জন দাসের মাথা ফাটল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ইঁটের ঘায়ে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই চরম অশান্তি শুরু হল দক্ষিণ কলকাতার বেহালায়। ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে মধ্যরাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। অভিযোগ, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে থাকা কর্মীদের ওপর আচমকা হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাংগঠনিক সম্পাদক তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর অঞ্জন দাস।

রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও তৃণমূলের অভিযোগ

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে পরিকল্পিতভাবে এই হিংসার আশ্রয় নিয়েছে। হামলায় অঞ্জন দাসসহ মোট পাঁচজন কর্মী জখম হয়েছেন। আক্রমণকারীরা লাঠি এবং ইঁট নিয়ে চড়াও হয়েছিল বলে অভিযোগ। আহতদের দ্রুত বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

পাল্টা দাবি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

অন্যদিকে, বিজেপির পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো যোগ নেই; বরং তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। ঘটনার পর থেকেই ওই এলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

এক ঝলকে

  • বেহালার ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট-পরবর্তী হিংসায় তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ।
  • হামলায় প্রাক্তন কাউন্সিলর অঞ্জন দাসসহ ৫ জন তৃণমূল কর্মী আহত, ১ জন এসএসকেএম-এ ভর্তি।
  • তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ আনা হলেও বিজেপি একে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে দাবি করেছে।
  • পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় র‍্যাফ ও বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *