ভোটের মুখে বড় ধাক্কা নবান্নে, কমিশনের ‘অপারেশন ক্লিন’-এ হস্তক্ষেপ নয় রাজ্যের!

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলার প্রশাসন ও পুলিশ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলি বা সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।
তবে রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় কমিশনের এক্তিয়ারের ওপর কোনোভাবেই হস্তক্ষেপ করা যাবে না। কমিশনের এই ‘অপারেশন ক্লিন’ বা স্বচ্ছতা অভিযানের প্রেক্ষিতে সরকারের এই ব্যর্থতা প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে।
নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে বিশেষ নজর রাখছে নির্বাচন কমিশন। হাইকোর্টের এই রায় কমিশনের ক্ষমতাকে আরও সুসংহত করল। এখন দেখার, আদালতের এই নির্দেশের পর প্রশাসন কীভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ভোটারদের আস্থা অর্জনে কী ভূমিকা নেয়।
