মদ কেলেঙ্কারিতে ক্লিনচিট পেয়েই মেজাজে কেজরিওয়াল, কেন ঘুম উড়ল কংগ্রেসের – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
February 28, 202610:12 am
রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টের রায়ে আবগারি দুর্নীতি মামলা থেকে সসম্মানে মুক্তি পেলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মনীশ সিসোদিয়া। উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে আদালত তাঁদের সহ ২৩ জন অভিযুক্তকে বরি করে দিয়েছে। এই ঐতিহাসিক আইনি স্বস্তি আম আদমি পার্টির (AAP) জন্য ‘চৌম্বকীয় সঞ্জীবনী’ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা দিল্লির আসন্ন রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দিতে পারে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ ও কেজরিওয়ালের চ্যালেঞ্জ
সিবিআই-এর পেশ করা তথ্যকে ‘অনুমাননির্ভর’ বলে খারিজ করে দিয়েছে বিশেষ আদালত। বিচারক স্পষ্ট জানান, দুর্নীতির কোনো ठोस প্রমাণ মেলেনি। এই জয়ের পর আবেগপ্রবণ কেজরিওয়াল বলেন, “আমার একমাত্র সম্পদ সততা, যা কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হয়েছিল।” শুধু তাই নয়, সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে তিনি জানিয়েছেন, এখনই নির্বাচন হলে বিজেপি ১০টির বেশি আসন পেলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
কেন বিপাকে কংগ্রেস?
কেজরিওয়ালের এই আইনি জয় ইন্ডিয়া জোটের সঙ্গী কংগ্রেসের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- পুরানো অবস্থান: ২০২২ সালে কংগ্রেসই প্রথম এই নীতি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল।
- ভোটের অঙ্ক: পাঞ্জাব ও গুজরাটে আপ এবং কংগ্রেস সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বী। কেজরিওয়াল যদি এই রায়কে ‘সহানুভূতি’ ও ‘সততার জয়’ হিসেবে জনগণের কাছে তুলে ধরেন, তবে দুই রাজ্যে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্ক ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- তৃতীয় শক্তির উত্থান: জাতীয় স্তরে রাহুল গান্ধীর বিকল্প হিসেবে কেজরিওয়ালের পুনরায় উত্থান বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে নতুন লড়াই শুরু করতে পারে।
ইডির খাঁড়া কি এখনো ঝুলছে?
সিবিআই মামলায় মুক্তি পেলেও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) মানি লন্ডারিং মামলাটি এখনও বিচারাধীন। তবে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মূল দুর্নীতি (Predicate Offence) যদি আদালতে না টেকে, তবে ইডির মামলাও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।

