মর্গে পড়ে স্ত্রী-সন্তানের লাশ, অথচ চাকরি বাঁচাতে শুনানি কেন্দ্রে শিক্ষক! মানবিকতা কি তবে হার মেনেছে? – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
নিউজ ডেস্ক : প্রিয়জন হারানোর পর মানুষ শোক পালনের সময়টুকু পাবেন না? মালদার স্কুলশিক্ষক এমডি ইয়াসিন আনসারীর জীবনে নেমে এসেছে এমনই চরম নিষ্ঠুরতা। টোটো দুর্ঘটনায় স্ত্রী হালিমা ও নয় মাসের শিশুপুত্রকে হারিয়ে যখন তাঁর পৃথিবী অন্ধকার, ঠিক তখনই চাকরি বাঁচাতে তাঁকে ছুটতে হলো প্রশাসনিক শুনানিতে। মর্গে পড়ে থাকা নিথর দেহগুলোর ময়নাতদন্ত রেখে নামের বানান সংশোধনের জন্য দপ্তরে হাজিরা দিতে বাধ্য হলেন তিনি।
এই ঘটনা কি আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থার যান্ত্রিকতাকেই প্রকট করে তুলল না? ইয়াসিনের সাজানো সংসার এক নিমেষে তছনছ হয়ে গেলেও নিয়মের বেড়াজালে বন্দি হয়ে তিনি শোক পালনের অধিকারটুকুও পেলেন না। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠছে, কাগজের নামের বানানের গুরুত্ব কি একজন মানুষের চরম শোকের চেয়েও বড়? প্রশাসনিক এই কঠোরতা আজ মালদাবাসীকে স্তব্ধ ও ব্যথিত করেছে।

