লেটেস্ট নিউজ

মৃত না জীবিত? ট্রাম্পের টেবিলে খামেনেইয়ের মরদেহের ছবি ঘিরে তোলপাড় বিশ্ব – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ওয়াশিংটন ও তেহরান

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই কি সত্যিই নিহত? আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিধ্বংসী হামলার পর এই এক প্রশ্নেই এখন তোলপাড় গোটা বিশ্ব। ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘চ্যানেল ১২’-এর দাবি অনুযায়ী, খামেনেইয়ের নিথর দেহের ছবি পৌঁছে গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হাতে। খোদ নেতানিয়াহু ভিডিও বার্তায় খামেনেইয়ের মৃত্যুর ইঙ্গিত দিয়ে জানিয়েছেন যে তাঁর শেষ হওয়ার লক্ষণ স্পষ্ট।

শনিবার সকালে তেহরান জুড়ে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মূল লক্ষ্যই ছিলেন খামেনেই। রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, খামেনেইয়ের বাসভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উপগ্রহ চিত্রেও তাঁর সুরক্ষিত প্রাসাদ থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী বের হতে দেখা গিয়েছে। এই হামলায় খামেনেইয়ের জামাতা, পুত্রবধূ এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের একাধিক শীর্ষ কমান্ডারের মৃত্যুর খবর মিলেছে।

তবে ইজরায়েলের এই দাবিকে সটান উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থাগুলোর দাবি, সর্বোচ্চ নেতা সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন এবং বর্তমানে যুদ্ধের ময়দানে দাঁড়িয়ে দেশবাসীকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাদের পাল্টা দাবি, হামলার আঁচ পেয়ে আগেই তাঁকে গোপন ও নিরাপদ আস্তানায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

এই চরম উত্তেজনার মাঝেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাধারণ মানুষকে বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, বর্তমান প্রশাসনের পতন ঘটিয়ে সাধারণ মানুষই দেশের দায়িত্ব নেবে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে তেহরানবাসীকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খামেনেইয়ের বেঁচে থাকা বা মৃত্যু নিয়ে এই ধোঁয়াশা এখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের মোড় কোন দিকে ঘোরায়, সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *