লেটেস্ট নিউজ

মোদীর ইজরায়েল সফরে বড় ধামাকা! অত্যাধুনিক ঘাতক অস্ত্র তৈরিতে একজোট দুই দেশ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নয়াদিল্লি ও তেল আভিভ: ভারত ও ইজরায়েলের দীর্ঘকালীন সামরিক মৈত্রী এবার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করতে চলেছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দুই দিনের হাই-প্রোফাইল ইজরায়েল সফরকে কেন্দ্র করে বিশ্ব রাজনীতি ও প্রতিরক্ষা মহলে শুরু হয়েছে প্রবল গুঞ্জন। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর কেবল দুই দেশের কূটনৈতিক সৌজন্য বিনিময় নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার সমর সজ্জার সমীকরণ বদলে দেওয়ার এক মহেন্দ্রক্ষণ হতে চলেছে।

অত্যাধুনিক অস্ত্রভাণ্ডার ও যৌথ উৎপাদন

সূত্রের খবর, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম যৌথভাবে উৎপাদনের লক্ষ্যে একটি মেগা চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। এর আগে ভারত মূলত আমদানিকারক হিসেবে থাকলেও, এবার ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পের আওতায় ভারতেই তৈরি হবে ইজরায়েলি প্রযুক্তির সবথেকে শক্তিশালী মারণাস্ত্রগুলো। এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতার তালিকায় রয়েছে এমন কিছু প্রযুক্তি যা শত্রুদেশের ঘুম উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।

এই চুক্তির মূল আকর্ষণগুলো হল

  • ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থা: শত্রুর ধেয়ে আসা মিসাইলকে মাঝ আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম এমন উন্নত শিল্ড বা সুরক্ষা কবজ নিয়ে বড় ঘোষণা আসতে পারে।
  • ভবিষ্যতের লেজার অস্ত্র: প্রচলিত গোলাবারুদের বদলে সরাসরি লেজার রশ্মি ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করার বৈপ্লবিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে দুই দেশ।
  • দূরপাল্লার ‘স্ট্যান্ড-অফ’ ক্ষেপণাস্ত্র: অনেক দূর থেকে নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম এই মিসাইলগুলো ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌবাহিনীর শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
  • উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি: নজরদারি এবং আক্রমণ— উভয় ক্ষেত্রেই পারদর্শী অত্যাধুনিক ড্রোন তৈরিতে ইজরায়েলের বিশ্বজোড়া খ্যাতি রয়েছে। এবার সেই প্রযুক্তির আদান-প্রদান ঘটবে ভারতের সঙ্গে।

কূটনৈতিক তাৎপর্য

প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তুঙ্গে। ইজরায়েলের অত্যাধুনিক সমর প্রযুক্তির সাথে ভারতের বিশাল উৎপাদন ক্ষমতার মেলবন্ধন ঘটলে ভারত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রপ্তানির ক্ষেত্রেও গ্লোবাল হাবে পরিণত হতে পারে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, এই চুক্তি কার্যকর হলে কেবল সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার হবে না, বরং বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।

আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির দিকে এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা বিশ্ব। ভারতের সামরিক শক্তির এই নতুন ‘বিস্ফোরণ’ প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য যে বড়সড় বার্তা, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *