মোবাইল ফিরিয়ে দেওয়ার নাম করে নিয়ে গিয়ে রেল ইয়ার্ডে নাবালিকাকে ধর্ষণ, গ্রেফতার যুবক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
মহারাস্ট্রের মুম্বই সংলগ্ন কল্যাণ রেলওয়ে স্টেশনে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। আত্মীয়ের বাড়ি যাওয়ার পথে ১৪ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে ফুসলিয়ে রেলওয়ে ইয়ার্ডে নিয়ে গিয়ে এই নৃশংস অত্যাচার চালানো হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত সৌরভ সোনওয়ানে নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও কল্যাণ জিআরপি (GRP) পুলিশ। জনাকীর্ণ রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে নিরাপত্তার অভাব এবং অপরাধীদের দুঃসাহস নিয়ে এই ঘটনার পর তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
বিশ্বাসভঙ্গ ও নৃশংস অপরাধের বিবরণ
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিতা নাবালিকা শনিবার অহল্যানগর থেকে খোপোলিতে তার মামার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। খোপোলিগামী ট্রেনের জন্য সে যখন কল্যাণ রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষা করছিল, ঠিক তখনই অভিযুক্ত সৌরভ সোনওয়ানে আচমকা তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয়। অচেনা যুবকের এই আচরণে নাবালিকা ভয় পেয়ে মোবাইল ফেরত চাইলে অভিযুক্ত তাকে পুলিশ স্টেশনে যাওয়ার কথা বলে আশ্বস্ত করে। মোবাইল ফেরত পাওয়ার আশায় নাবালিকা তার পেছন পেছন হাঁটতে শুরু করলে অভিযুক্ত তাকে পুলিশ স্টেশনের বদলে নির্জন রেলওয়ে ইয়ার্ডের দিকে নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে।
পুলিশি তৎপরতা ও অপরাধের প্রভাব
ঘটনার পর কোনোমতে অভিযুক্তের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে পালিয়ে আসে ওই নাবালিকা। সে সরাসরি কল্যাণ রেলওয়ে পুলিশ স্টেশনে পৌঁছে কর্তব্যরত আধিকারিকদের সম্পূর্ণ বিষয়টি জানায়। নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে কল্যাণ জিআরপি দ্রুত মামলা দায়ের করে তদন্তে নামে। রেলওয়ে স্টেশনের সিসিটিভি ($CCTV$) ফুটেজ খতিয়ে দেখে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে মূল অভিযুক্ত সৌরভ সোনওয়ানেকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার ফলে রেলস্টেশন ও তৎসংলগ্ন এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেছে, যা সাধারণ যাত্রী বিশেষ করে নারী ও নাবালিকাদের সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
এক ঝলকে
- মুম্বইয়ের কল্যাণ রেলওয়ে স্টেশনে ১৪ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।
- নাবালিকার মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তা ফেরত দেওয়ার নাম করে তাকে রেলওয়ে ইয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হয়।
- সিসিটিভি ($CCTV$) ফুটেজ দেখে অভিযুক্ত সৌরভ সোনওয়ানেকে গ্রেফতার করেছে কল্যাণ জিআরপি।
- রেলস্টেশন চত্বরে নাবালিকার ওপর এমন নৃশংসতায় স্থানীয় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও নিরাপত্তার উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
