“যত বদমাইশ সব টিএমসিতে, গুলি-বন্দুকের সংস্কৃতি শেষ করব!” চন্দ্রনাথ রথ খুনে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে এবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, রাজ্যের বর্তমান অশান্তি ও হিংসার নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং “অ্যান্টি-সোশ্যাল” উপাদানদের বাড়বাড়ন্ত।
হিংসার নেপথ্যে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ লড়াই
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন যে, তৃণমূলের মধ্যেই সমস্ত সমাজবিরোধী আশ্রয় নিয়েছে। তাঁর মতে, এতদিন যারা ক্ষমতার সুবিধা পাচ্ছিল, এখন দলের অন্য গোষ্ঠী তাদের ওপর প্রতিশোধ নিচ্ছে। অফিস দখল থেকে শুরু করে দোকানপাট লুটপাট—এই সবকিছুর মূলে রয়েছে তৃণমূলের নিজস্ব কোন্দল, যার সঙ্গে বিজেপির কোনো যোগ নেই। তিনি স্পষ্ট জানান, পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের উচিত দ্রুত কড়া ব্যবস্থা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা।
প্রশাসনের ভূমিকা ও বিজেপির অবস্থান
রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে পুলিশমন্ত্রীকেও একহাত নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশমন্ত্রী প্রশাসনিক কাজের চেয়ে নাটক করতেই বেশি ব্যস্ত। পাশাপাশি, সমাজবিরোধীদের বিজেপিতে প্রবেশাধিকার নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমরা কঠোরভাবে দলের দরজা বন্ধ রেখেছি। কোনো সমাজবিরোধী যাতে বিজেপিতে ঢুকতে না পারে, সেদিকে কড়া নজর রাখা হচ্ছে।”
সম্ভাব্য প্রভাব ও উদ্বেগ
এই রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য রাজ্যে রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে বসিরহাটসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গুলি চালনা ও লুটপাটের ঘটনা প্রশাসনের বিশ্বাসযোগ্যতাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। দ্রুত অপরাধীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা না নিলে এই অস্থিরতা আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকছে।
