যাদবপুরের দেওয়ালে কিষেণজিকে ‘স্যালুট’! ‘ও আমাদের কমরেডদের মেরেছে’, স্পষ্ট বার্তা এসএফআইয়ের – এবেলা

যাদবপুরের দেওয়ালে কিষেণজিকে ‘স্যালুট’! ‘ও আমাদের কমরেডদের মেরেছে’, স্পষ্ট বার্তা এসএফআইয়ের – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

সম্প্রতি দেওয়াল লিখন এবং ‘দেশবিরোধী’ স্লোগান ঘিরে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। গত দুই সপ্তাহ আগে একটি জিবি (GB) বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অশান্ত হয়, যার জেরে রাজপথে নামে এবিভিপি ও এসএফআই—দুই শিবিরই। এই ঘটনার পরই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরেই দেশবিরোধী শক্তির আশ্রয়স্থল। তাঁর নির্দেশে ক্যাম্পাসের বিতর্কিত দেওয়াল লিখন মোছা হলেও, রাতারাতি সেখানে আবার ফিরে এসেছে বিভিন্ন বামপন্থী বক্তব্য।

তবে ক্যাম্পাসের দেওয়ালে ‘রেড স্যালুট কিষেণজি’ কিংবা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’-র মতো স্লোগান কতটা যুক্তিযুক্ত? এই প্রশ্নে এসএফআই-এর সায়েন্স ফ্যাকাল্টির ইউনিট সেক্রেটারি অ্যাঞ্জেল দাস পরিষ্কার জানান, তাঁরা এই ধরণের স্লোগানকে কখনোই সমর্থন করেন না। মাওবাদী নেতা কিষেণজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “কিষেণজি আমাদের অনেক কমরেডকে হত্যা করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীদের প্রশ্রয়েই মাওবাদীরা মাথাচাড়া দিয়েছিল।” সেই সাথে বামেদের মিছিলে বহিরাগতদের উপস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, বাইরের কেউ এসে ভিড় করলে তাঁদের কিছু করার থাকে না।

প্রকৃতপক্ষে, যাদবপুরকে এক ছাতার তলায় ‘বামপন্থী’ বলে দেগে দেওয়া হলেও এসএফআই এবং অতি-বাম সংগঠনগুলির (যেমন ডিএসও বা আইসা) মধ্যে আদর্শগত বড় পার্থক্য রয়েছে। এসএফআই রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে থেকে পরিবর্তনের কথা বললেও অতি-বামেরা রাষ্ট্রবিরোধী অবস্থান নেয়। অন্যদিকে, এই ইস্যুতে আক্রমণ তীব্র করে এবিভিপি নেতারা দাবি করেছেন, যাদবপুর একসময় মাওবাদীদের ঘাঁটি ছিল এবং এই ধরণের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই মদত দেওয়া হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *